
ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,মেঘনা থেকে মো. ইব্রাহীম খলিল মোল্লা সৌজন্যে ,বৃহস্পতিবার ০৯ এপ্রিল ২০২৬ || চৈত্র ২৬ ১৪৩২ || ২০ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি :
কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা একটি মাদক নেটওয়ার্কের অন্যতম নিয়ন্ত্রক হিসেবে পরিচিত রহিছ উদ্দিন ওরফে সুমন (৪১) অবশেষে পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন। স্থানীয়দের কাছে ‘মাদক সম্রাট’ হিসেবে পরিচিত এই ব্যক্তিকে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করেছে মেঘনা থানা পুলিশ।
Advertisement
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————
বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে ৮ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের পাড়ারবন্দ গ্রামের তার নিজ বাড়ি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অনুসন্ধানে জানা যায়, রহিছ উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে মেঘনাসহ কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় একটি সক্রিয় মাদক চক্র পরিচালনা করে আসছিলেন, উঠতি বয়সী যুবকদের টার্গেট করে ইয়াবা সরবরাহ ও বিক্রির মাধ্যমে তিনি একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন এবং তার এই কর্মকাণ্ডে স্থানীয়ভাবে এক ধরনের অঘোষিত প্রভাবও তৈরি হয়েছিলো। এর ফলে পুরো মেঘনা জুড়ে মাদকের বিস্তার ঘটে বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ওসি শহীদুল ইসলামের নির্দেশনায় এএসআই সোহরাব হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ এএসআই রুবেল ও এএসআই রাসেল বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। মুগারচর বাজার এলাকায় অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাড়ারবন্দ গ্রামের গাজী জসিম উদ্দিনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১৮ পিস ইয়াবাসহ রহিছকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে রহিছ নিজেই দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং প্রাথমিক তদন্তেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মিলেছে।
এছাড়াও রেকর্ডপত্র ও সিডিএমএস যাচাই করে দেখা গেছে, রহিছ উদ্দিনের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ২০১৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত ১০টি মাদক মামলা রয়েছে, যার কয়েকটিতে তিনি ইতোমধ্যে সাজাপ্রাপ্ত। তিতাস, বাকলিয়া, দাউদকান্দি, তুরাগ, আকবর শাহ এবং নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানাসহ বিভিন্ন এলাকায় তার বিরুদ্ধে মামলা হয়, যা তার দীর্ঘদিনের অপরাধ কর্মকাণ্ডের ইঙ্গিত দেয়।
Advertisement

মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম বলেন, “গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে বৃহস্পতিবার সকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আরো তথ্য যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”



