ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি,শনিবার ৩০ মে ২০২৬ || জ্যৈষ্ঠ ১৬ ১৪৩৩ || ১৩ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি :
ইরান মাটির গভীরের গোপন ঘাঁটি (যেমন—’ঈগল ৪৪’ বা ওগাব-৪৪) থেকে আধুনিক যুদ্ধবিমান ও ড্রোন বের করে সামরিক মহড়া চালানোর খবর প্রকাশ করেছে। পাহাড়ের শত শত মিটার গভীরে তৈরি এই বাঙ্কারগুলো আমেরিকার শক্তিশালী বাঙ্কার-বাস্টার বোমা থেকে সুরক্ষিত এবং এগুলো সরাসরি হামলার পরিবর্তে প্রতিরোধমূলক রণকৌশল হিসেবে কাজ করে। [1, 2, 3, 4, 5]
মাটির নিচের এই গোপন ঘাঁটিগুলোর মূল বিষয়বস্তু নিচে দেওয়া হলো:
-
Advertisement
-
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————
- ঈগল ৪৪ ঘাঁটি: এটি ইরানের প্রথম বিশাল ভূগর্ভস্থ বিমানঘাঁটি, যেখানে যুদ্ধবিমান, বোমারু বিমান এবং ড্রোন নিরাপদ রাখার পাশাপাশি তাৎক্ষণিক উড্ডয়নের ব্যবস্থা রয়েছে। [1, 2, 3]
- সুরক্ষা ব্যবস্থা: যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তিশালী দেশের সম্ভাব্য বিমান হামলা ও বোমার আঘাত সহ্য করার মতো সক্ষমতা নিয়ে এই ঘাঁটিগুলো তৈরি। [1, 2]
- ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি: মাটির নিচে লুকানো ‘মিসাইল সিটি’ বা ক্ষেপণাস্ত্র শহরগুলো থেকে মুহূর্তের মধ্যেই দূরপাল্লার ব্যালেস্টিক ও ক্রুজ মিসাইল ছোড়া সম্ভব। [1, 2]
- সাম্প্রতিক উত্তেজনা: সাম্প্রতিক সংঘাত ও উত্তেজনার মাঝে এই ঘাঁটিগুলো ব্যবহার নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয় এবং স্যাটেলাইট চিত্রে ঘাঁটির টানেলের প্রবেশপথে কিছু হামলার চিহ্নও দেখা গেছে। [1, 2]
-
Advertisement

ঘাঁটিটির বিস্তারিত নির্মাণশৈলী ও সামরিক গুরুত্ব সম্পর্কে জানতে পড়ুন ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউটের প্রতিবেদন। তবে মাটির নিচে থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে এই ঘাঁটিগুলোর প্রবেশপথ ও রানওয়ে বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে এসেছে।



