(ভিডিও)শাহবাগে সার্জেন্টের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনায় মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পেলেন অভিযুক্ত

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ  ২৪.ম,রাজধানীর শাহবাগ প্রতিনিধি,বুধবার   ০৬ মে ২০২৬ ||  বৈশাখ ২৩ ১৪৩৩ || ১৮ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি :

রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে বিভিন্ন যানবাহনের কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় ট্রাফিক সার্জেন্ট রেজাউল হকের সঙ্গে এক ব্যক্তির ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। গত সোমবার বিকেলে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে দেখা যায়, সার্জেন্টের ওপর এক ব্যক্তি চড়াও হয়ে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন।

Advertisement

অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

অভিযুক্ত ব্যক্তি সারোয়ার জাহান সুমন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিস সহকারী। পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে তাকে শাহবাগ থানায় নেওয়া হয়। পরে তিনি নিজের অপরাধ স্বীকার করলে মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

শাহবাগ থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান সমকালকে বলেন, ভুক্তভোগী সার্জেন্ট রেজাউল মামলা করতে চেয়েছিলেন অভিযুক্ত সারোয়ার জাহান সুমনের বিরুদ্ধে। তবে সুমন নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চান। পরে বিষয়টি উভয়পক্ষ আপস-মিমাংসা করে নেয়।

জানা যায়, সোমবার বিকেলে সার্জেন্ট রেজাউল শাহাবাগ মোড়ে একটি যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে কাগজপত্র যাচাই করছিলেন। এসময় চালকের সহকারীর (হেলপার) সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে অন্য একটি বাস থেকে সারোয়ার জাহান সুমন নেমে এসে সার্জেন্টের ওপর চড়াও হন। তিনি হেলপারের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে সার্জেন্টকে গালাগাল করেন।

এ সময় রেজাউল বডি-ওর্ন ক্যামেরা চালু করার চেষ্টা করলে সারোয়ার সেটি ছিনিয়ে নিয়ে নিজের পকেটে রাখেন। পরে সার্জেন্ট মোবাইল ফোনে ভিডিও করার  চেষ্টা করলে সেটিও ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে দুজনের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। এরইমধ্যে কয়েকজন পুলিশ সদস্য সেখানে উপস্থিত হন।

সার্জেন্ট রেজাউল হক সমকালকে বলেন, পরিচয় জানতে চাইলে সারোয়ার আরও উত্তেজিত হয়ে ওঠেন এবং তাকে ধাক্কা দিতে থাকেন। একপর্যায়ে তার কাছে থাকা সরকারী অস্ত্রেও হাত দেন। সারোয়ার মব সৃষ্টির চেষ্টা করেন। ৭-৮জন জড়ো হয়ে যায়। এ সময় কে বা কারা তার হাতঘড়ি ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। একপর্যায়ে তিনি নিজেকে রক্ষা করতে সারোয়ারকে পুলিশ বক্সে নিয়ে যান এবং পরে শাহবাগ থানায় নেওয়া হয়। খবর পেয়ে তার পরিবারের সদস্যরা থানায় আসেন।

Advertisement

মামলা করার সিদ্ধান্ত নিলেও পরে সারোয়ার ক্ষমা চেয়ে মুচলেকা দিলে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে ঘটনার পর থেকে তিনি নানাভাবে হুমকি পাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন।