ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,বগুড়া প্রতিনিধি,বুধবার ০৬ মে ২০২৬ || বৈশাখ ২৩ ১৪৩৩ || ১৮ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি :
বগুড়ায় কবিরাজি চিকিৎসার কথা বলে এসএসসি (দাখিল) পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে এক কবিরাজকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
Advertisement
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————
মঙ্গলবার (৫ মে) সন্ধ্যায় শহরের নামাজগড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম হাকিম রেজাউল করিম (৪০)। তিনি নামাজগড় এলাকার ভান্ডারী মসজিদসংলগ্ন আশ-সিফা দাওয়া খানা নামে একটি প্রতিষ্ঠানে কবিরাজি ও ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে চিকিৎসার জন্য পরিচিত ছিলেন।
রাত ১১টার দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী।
ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা অভিযোগে বলেন, তার মেয়ে রাজশাহীর একটি কওমি মাদ্রাসায় দাখিল (এসএসসি সমমান) শ্রেণিতে পড়াশোনা করে। বেশ কিছুদিন ধরে মাথাব্যথায় ভুগছিল সে। বিভিন্ন চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলেও উন্নতি না হওয়ায় এক পরিচিত ব্যক্তির মাধ্যমে গত ৩ মে সকালে মেয়েকে নিয়ে অভিযুক্তের দাওয়া খানায় যান তিনি।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ভুক্তভোগী কিশোরীর ওপর জ্বীনের আসর রয়েছে দাবি করে ঝাড়ফুঁক করার কথা বলেন কবিরাজ। একপর্যায়ে তিনি কিশোরীকে একটি কক্ষে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দেন এবং অন্যদের বাইরে যেতে বলেন। পরে চিকিৎসার কথা বলে ভুক্তভোগীর ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে ধর্ষণ করেন।
একই দিন বিকেলে ১৬ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে আবার আসতে বলেন অভিযুক্ত। পরিবারের সদস্যরা টাকা নিয়ে আবারও সেখানে গেলে কিশোরীকে কক্ষে নিয়ে গিয়ে একইভাবে ফের ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে কিশোরী কাঁদতে কাঁদতে বিষয়টি পরিবারকে জানায়। এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে আলোচনা করে থানায় গিয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে ভুক্তভোগীর পরিবার।
এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহীম আলী বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্নের প্রক্রিয়া চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।




