(ভিডিও)নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা, ৫ আসামি গ্রেপ্তার

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ  ২৪.ম,নরসিংদী  প্রতিনিধি, শুক্রবার   ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||  ফাল্গুন ১৪ ১৪৩২ || ৯ রমজান ১৪৪৭ হিজরি :

নরসিংদীতে ধর্ষণের বিচার চাওয়ায় সৎ বাবার কাছ থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার পর এক কিশোরীকে হত্যার অভিযোগে ৯ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মাধবদী থানায় মেয়েটির মা বাদী হয়ে মামলাটি করেন। রাতেই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

Advertisement

অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

 

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং মাধবদী থানায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি দ্রুত ঘটনাটি তদন্ত করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার আশ্বাস দিয়েছেন।

 

 

 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- এবাদুল্লাহ (৪০), গাফফার (৩৭), আহাম্মদ আলী মেম্বার (৬৫), মো. ইমরান দেওয়ান (৩২) ও মো. আইয়ুব (৩০)।

এর আগে, বৃহস্পতিবার সকালে মাধবদী থানার কোতালিরচর দড়িকান্দী এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

 

মেয়েটির স্বজনদের অভিযোগ, গত ১৫ দিন আগে স্থানীয় বখাটে নূরার নেতৃত্বে ৫ থেকে ৬ জনের একটি দল বাড়ি ফেরার পথে মেয়েটিকে তুলে নিয়ে ‘ধর্ষণ করে’। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মহিষাশুরা ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার আহমদের নেতৃত্বে মীমাংসা করা হয়।

বুধবার বিকেলে মেয়েকে খালার বাড়িতে রাখতে যাচ্ছিলেন তার বাবা। পথে বড়ইতলা এলাকায় নূরার নেতৃত্বে পাঁচজন মিলে তার কাছ থেকে মেয়েকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে বাড়ির লোকজন অনেকক্ষণ খোঁজাখুঁজির করে না পেয়ে বাড়ি ফিরে যায়।

 

বৃহস্পতিবার সকালে কোতালিরচর দড়িকান্দী এলাকায় একটি সরিষা ক্ষেতে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় মেয়েটির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কিশোরীর লাশ শনাক্ত করেন।

মাধবদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, “ঘটনাটির তদন্ত চলছে। দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।”

Advertisement

প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

 

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর মো. ওমর কাইউম জানান, ঘটনাটি নৃশংস। সব আসামিকে শাস্তির আওতায় আনা হবে।