ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,ঢাকার কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি,শনিবার ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ || মাঘ ৩ ১৪৩২ :
ঢাকার কেরানীগঞ্জে মা ও মেয়ের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। মূলত এনজিও ঋণের টাকার জামিনদার হওয়া এবং সেই টাকা নিয়ে বিরোধের জেরেই গৃহশিক্ষিকা ও তার বোন মিলে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।
Advertisement
আপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি আপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain আথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) দুপুরে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এম সাইফুল আলম এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, ঘাতক গৃহশিক্ষিকা মীম বেগম এনজিও থেকে দেড় লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন, যার জামিনদার ছিলেন নিহত রোকেয়া বেগম। ঋণের কিস্তি বকেয়া পড়ায় তাদের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়। গত ২৫ ডিসেম্বর রোকেয়ার মেয়ে ফাতেমা (১৪) মীমের কাছে পড়তে গেলে টাকার প্রসঙ্গ তোলে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মীম ও তার মেজো বোন নূরজাহান মিলে ফাতেমাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। পরে মেয়েকে খুঁজতে এসে রোকেয়া বেগম বিষয়টি দেখে ফেললে তাকেও ওড়না দিয়ে পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে দুই বোন।
হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধ আড়াল করতে অত্যন্ত চতুরতার আশ্রয় নেয় ঘাতকরা। ফাতেমার মরদেহ বাথরুমের ফলস ছাদে এবং মায়ের মরদেহ খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা হয়। এরপর মেজো বোন নূরজাহান (১৪) নিহত ফাতেমার পোশাক পরে বাসা থেকে বের হয়ে যায়, যাতে সিসি ক্যামেরায় মনে হয় ফাতেমা পড়া শেষে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। ১০-১৫ মিনিট পর সে আবার বোরকা পরে বাসায় ফিরে আসে। এই চাতুর্যের কারণে নিহতের স্বামী হুমায়ূন মিয়া সিসি ফুটেজ দেখে নিশ্চিত হয়েছিলেন যে তার মেয়ে বাসা থেকে বের হয়ে গেছে, যা তদন্তকে শুরুতে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে।
Advertisement
প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

গত কয়েক দিন ধরে কালিন্দি মুক্তিরবাগ এলাকায় তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা অতিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। বৃহস্পতিবার রাতে এলাকাবাসী দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে শিক্ষিকা মীমের ফ্ল্যাটে পৌঁছান। মীম দরজা খুলতে অস্বীকৃতি জানালে স্থানীয়রা ‘৯৯৯’-এ কল করেন। পুলিশ এসে তল্লাশি চালিয়ে খাটের নিচ থেকে রোকেয়ার এবং বাথরুমের ফলস ছাদ থেকে পলিথিনে মোড়ানো ফাতেমার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ এই ঘটনায় গৃহশিক্ষিকা মীম বেগম (২২), তার স্বামী হুমায়ূন মিয়া (২৮), মেজো বোন নূরজাহান (১৪) ও ছোট বোন মাহিকে (১১) আটক করে। এদের মধ্যে মীম ও নূরজাহান আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
Advertisement
এ জে সেন্টারে বিত্রুয় প্রতিনিধি আবশ্যক
__________________________
এ সি,ডিসি লাইট,বাথ ব্যাথা,চুলকানীর মলম,ইত্যাদি বিক্রয় করা হয়।
বিক্রয় প্রতিনিধিদের সাইকেল ও মোবাইল দেওয়া হয়, আলোচনাশাপেক্ষে।
যোগাযোগ করুন-মোবাইল : ০১৯৭৮৬২৪২০৫
মোঃ মতিউর রহমান
এ জে সেন্টার
বারদি সোনারগাঁও বাজার
জেলা- নারায়নগঞ্জ
__________________________________________________
ওসি এম সাইফুল আলম বলেন, “সামান্য টাকার বিরোধে একটি সাজানো বাগান ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ঘাতকরা অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে আলামত গোপনের চেষ্টা করেছিল। আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।”



