(ভিডিও)ইলন মাস্কের এক্সএআইর বিরুদ্ধে মামলা

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.ম,আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি,শনিবার   ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ ||  মাঘ ৩ ১৪৩২ :

মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও বিলিয়নিয়ার ব্যবসায়ী ইলন মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান এক্সএআইর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন মাস্কের সাবেক বান্ধবী ও তার সন্তানের মা অ্যাশলি সেন্ট ক্লেয়ার। তার অভিযোগ, এক্সএআইর এআই টুল গ্রোক তার সম্মতি ছাড়াই তাকে নিয়ে অশালীন ও যৌন হয়রানিমূলক ডিপফেইক ছবি তৈরি ও ছড়িয়ে দিয়েছে। এর ফলে তিনি অপমানিত ও মানসিক যন্ত্রণার শিকার হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন।

Advertisement

আপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি আপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain আথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

সম্প্রতি গ্রোকের মাধ্যমে তৈরি যৌন আবেদনময় ডিপফেইক ছবি নিয়ে বিশ্বজুড়ে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। অভিযোগ ওঠে, অনুমতি ছাড়াই বাস্তব মানুষের ছবি সম্পাদনা করে অশালীন কনটেন্ট বানানো হচ্ছে। এমনকি শিশুদের ছবিও এতে আক্রান্ত হয়েছে বলে দাবি করে বিভিন্ন সংগঠন।

 

বিতর্ক ও সমালোচনার মদ্যে ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্য কর্তৃপক্ষ অভিযোগ নিয়ে একটি তদন্ত শুরু করেছে। ক্যালিফোর্নিয়ার অ্যাটর্নি জেনারেল রব বন্টা-র কার্যালয় এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বড়দিন ও নববর্ষের ছুটির মধ্যে তৈরি প্রায় ২০ হাজার ছবির অর্ধেকেরও বেশিতে স্বল্প পোশাক পরা মানুষকে দেখানো হয়েছে, যার মধ্যে কিছু ছবি অল্প বয়সি বা নাবালকও রয়েছে।
 
সমালোচনার মুখে গ্রোক চ্যাটবট বাস্তব মানুষের ছবি সম্পাদনা করে অশালীন বা উন্মুক্ত পোশাকে দেখানোর সুবিধা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যেসব দেশে এ ধরনের কনটেন্ট অবৈধ সেখানে এই সুবিধা পুরোপুরি বন্ধ করা হচ্ছে।
 
এক্সএআই জানায়, যেসব দেশে এটি অবৈধ, সেখানে গ্রোক ও এক্স প্ল্যাটফর্মে বাস্তব মানুষের বিকিনি, অন্তর্বাস বা অনুরূপ পোশাকে ছবি তৈরির সুবিধা জিওব্লক করা হবে। এক্সএআই আরও জানায়, আইন লঙ্ঘন ও প্ল্যাটফর্মের নীতিমালা ভঙ্গ ঠেকাতেই এই সিদ্ধান্ত। গ্রোকের অপব্যবহার করে কেউ যেন আইন ভাঙতে না পারে তা নিশ্চিত করাই উদ্দেশ্য।

Advertisement

প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

 
বিষয়টি নিয়ে জোর আলোচনার মধ্যেই এক্সএআইয়ের বিরুদ্ধে মামলার খবর এলো। গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের সুপ্রিম কোর্টে মামলাটি দায়ের করেন লেখক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার অ্যাসলি সেন্ট ক্লেয়ার। তিনি জানান, তাকে নিয়ে যেসব ডিপফেক ছবি তৈরি করা হয়েছে তার মধ্যে এমন ছবিও রয়েছে, যেখানে তাকে অপ্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে দেখানো হয়েছে।
 
মাস্কের ১৬ মাস বয়সি ছেলে রোমুলাসের মা সেন্ট ক্লেয়ার বলেন, গত বছর ছবিগুলো প্রদর্শিত হতে শুরু করার পর তিনি মাস্কের এক্স সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে এই ছবিগুলো রিপোর্ট করেছিলেন। তিনি ছবিগুলো সরিয়ে ফেলার অনুরোধ করেছিলেন।
 
তিনি বলেন, প্ল্যাটফর্মটি উত্তরে বলেছিল, ছবিগুলো তাদের কোম্পানির নীতি লঙ্ঘন করেনি। তারপর তারা প্রতিশ্রুতি দেয় যে তার সম্মতি ছাড়া তার ছবি ব্যবহার বা পরিবর্তন করার অনুমতি দেয়া হবে না। কিন্তু গ্রোক এসব ছবি তৈরি বন্ধ করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে তা কার্যকর করা হয়নি।
 
মামলায় ক্ষতিপূরণ ও দণ্ডমূলক ক্ষতিপূরণ দাবি করে সেন্ট ক্লেয়ার বলেন, গ্রোকের মাধ্যমে তার নামে ডজনেরও বেশি যৌন হয়রানিমূলক ছবি তৈরি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে। তার কথায়, ‘আমার এই এআই দিয়ে পরিবর্তিত ছবিগুলো তৈরি এবং বিতরণে এক্সএআই-এর ভূমিকার ফলে আমি গুরুতর মানসিক যন্ত্রণা ভোগ করেছি এবং এখনও ভোগ করছি।’
 

Advertisement

এ জে সেন্টারে বিত্রুয় প্রতিনিধি আবশ্যক
__________________________
এ সি,ডিসি লাইট,বাথ ব্যাথা,চুলকানীর মলম,ইত্যাদি বিক্রয় করা হয়।
বিক্রয় প্রতিনিধিদের সাইকেল ও মোবাইল দেওয়া হয়, আলোচনাশাপেক্ষে।
যোগাযোগ করুন-মোবাইল : ০১৯৭৮৬২৪২০৫
মোঃ মতিউর রহমান
এ জে সেন্টার
বারদি সোনারগাঁও বাজার
জেলা- নারায়নগঞ্জ

__________________________________________________

 
২৭ বছর বয়সি অ্যাশলি সেন্ট ক্লেয়ারের সঙ্গে এখন ইলন মাস্কের কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি একজন ডানপন্থি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ইনফ্লুয়েন্সার’, লেখক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার। ২০২৪ সালে তিনি একটি পুত্রসন্তানের জন্ম দেন।
 
সেন্ট ক্লেয়ারের পক্ষে মামলা পরিচালনা করছেন ভুক্তভোগীদের অধিকারবিষয়ক আইনজীবী ক্যারি গোল্ডবার্গ। তিনি বলেন, ‘এক্সএআই কোনোভাবেই একটি নিরাপদ পণ্য নয় এবং এটি জনস্বার্থের জন্য ক্ষতিকর। গ্রোক সম্মতিহীন, নির্যাতনমূলক ও অবমাননাকর ছবি তৈরি করে এক্সে প্রকাশের মাধ্যমে অ্যাশলি সেন্ট ক্লেয়ারকে হয়রানি করেছে।’
 
তিনি আরও বলেন, ‘এই ক্ষতি ইচ্ছাকৃত নকশাগত সিদ্ধান্তের ফল, যার কারণে গ্রোগকে সহজেই অপমান ও হয়রানির অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব হয়েছে।’ মামলায় আরও বলা হয়, এক্স কর্তৃপক্ষ সেন্ট ক্লেয়ারের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক আচরণ করেছে।

Advertisement

 
তার এক্স অ্যাকাউন্টের আয়ের সুযোগ বন্ধ করা হয়েছে এবং তাকে নিয়ে আরো বেশি ডিপফেক ছবি তৈরি করা হয়েছে। এসব ছবির মধ্যে রয়েছে যৌন ভঙ্গিতে উপস্থাপন, আংশিক নগ্নতা এবং শিশুদের অবৈধ ছবি।