SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ  ২৪.ম,কুমিল্লা প্রতিনিধি,সোমবার   ০১ জুন ২০২৬ ||  জ্যৈষ্ঠ ১৮ ১৪৩৩ || ১৫ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি :

কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপি নেতা মো. মোস্তাক মিয়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন কাজের সরকারি বরাদ্দকে “ব্যক্তিগতভাবে টাকা খাওয়া” বা দুর্নীতি হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করে নিজেই বিতর্কের মুখে পড়েছেন। পরবর্তীতে হাসনাত আবদুল্লাহর সরাসরি ফোন কলের জবাবে তিনি নিজের বক্তব্য থেকে সরে আসেন এবং স্বীকার করেন যে হাসনাত আবদুল্লাহ ব্যক্তিগতভাবে কোনো টাকা নেননি। [1, 2, 3]
  • Advertisement

  • অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
    ——————————-
    আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
    ——————————————

এই ঘটনার সার্বিক প্রেক্ষাপট নিচে তুলে ধরা হলো:
১. মূল অভিযোগ
২০২৬ সালের ৩০ মে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীর একটি সভায় মোস্তাক মিয়া অভিযোগ করেন যে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও হাসনাত আবদুল্লাহ কুমিল্লা জেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিল থেকে যথাক্রমে ১৫ কোটি ও ১০ কোটি টাকা নিয়ে গেছেন। তিনি এটিকে সমন্বয়কদের “ভেতরের আসল চরিত্র” ও বৈষম্য বলে জনসমক্ষে বক্তব্য দেন। [1]
২. হাসনাত আবদুল্লাহর ফোন ও প্রশাসকের সুর বদল
এই অভিযোগ ওঠার পর হাসনাত আবদুল্লাহ নিজেই সরাসরি ফোন করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়াকে। তাদের কথোপকথনের ভাইরাল হওয়া অডিওতে দেখা যায়, হাসনাত আবদুল্লাহ যখন টাকা আত্মসাতের বিষয়ে কড়া ব্যাখ্যা চান, তখন মোস্তাক মিয়া আমতা আমতা করে সুর বদলে ফেলেন। তিনি ফোনে বলেন: [1, 2]
“আপনি টাকা খেয়েছেন তা তো আমি বলি নাই। রাজস্ব খাতসহ সব খাত মিলে ১০ কোটি টাকা আপনার এলাকায় গেছে। আপনার উপজেলায় (দেবিদ্বার) গেছে ১০ কোটি।” [1, 2]

৩. প্রকৃত ঘটনা কী?
  • উন্নয়নমূলক বরাদ্দ: হাসনাত আবদুল্লাহ ও আসিফ মাহমুদ পরিষ্কার করেছেন যে, এই টাকা কোনো ব্যক্তিগত পকেটে যায়নি। এটি উপজেলার রাস্তাঘাট ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য নিয়মতান্ত্রিকভাবে বরাদ্দ করা সরকারি তহবিল। [1, 2]
  • Advertisement

  • রাজনৈতিক উদ্দেশ্য: রাজনৈতিক মঞ্চে সরকারি উন্নয়ন বরাদ্দকে “দুর্নীতি বা টাকা খেয়ে ফেলা” হিসেবে ভুলভাবে ব্যাখ্যা দিয়ে হাসনাত ও আসিফ মাহমুদকে বিতর্কিত করার একটি চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু হাসনাত আবদুল্লাহর তাৎক্ষণিক ও সরাসরি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে সেই বিএনপি নেতা ও প্রশাসক নিজের বক্তব্য সংশোধন করতে বাধ্য হন, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে