(ভিডিও)রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: স্ত্রীসহ আসামি সোহেলকে আনা হলো আদালতে

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ  ২৪.ম,আইন আদালত প্রতিনিধি,সোমবার   ০১ জুন ২০২৬ ||  জ্যৈষ্ঠ ১৮ ১৪৩৩ || ১৫ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি :

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের (চার্জ গঠন) শুনানি আজ সোমবার (১ জুন) অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। শুনানির আগে মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়েছে।

  • Advertisement

  • অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
    ——————————-
    আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
    ——————————————

সোমবার (১ জুন) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে তাদের প্রিজনভ্যানে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর দুজনকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়।

 

আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে মামলাটির আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হবে কি-না, সে বিষয়ে আজ আদালতে সিদ্ধান্ত হতে পারে।

 
এর আগে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে অভিযুক্ত করে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান । ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালত চার্জশিট গ্রহণ করে মামলাটি শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
 
গত ২৪ মে ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে শুনানির জন্য এ দিনটি ধার্য করেন।
 
 
রামিসা হত্যাকাণ্ডের সর্বোচ্চ সাজা চাইবেন জানিয়ে গত রোববার ঝিনাইদহের শৈলকুপার একটি অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ‘আমরা রামিসা হত্যাকাণ্ডের সর্বোচ্চ সাজা চাইবো। বাকিটা আদালত যেটা ন্যায়বিচারের স্বার্থে মনে করবেন, সেটাই করবেন। তবে যে যেরকম সাক্ষ্য-প্রমাণ রয়েছে এবং আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রয়েছে, সেই বিবেচনায় আদালত সর্বোচ্চ শাস্তির বিষয়টি বিবেচনায় নেবেন বলে মনে করি।’
 
মামলা সূত্রে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা।
 
এক পর্যায়ে আসামির ঘরের সামনে শিশুটির একটি স্যান্ডেল পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। দেখতে পান সোহেল রানার শোবার ঘরের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা বাথরুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে পড়ে রয়েছে।
 
 
জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর মাধ্যমে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহ উদ্ধারের পর স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেফতার করা হয়।
  • Advertisement

 
এ ঘটনায় রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। গ্রেফতার আসামি সোহেল রানা ২০ মে আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেয়। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিল বলে জবানবন্দিতে জানায় সে।