https://www.facebook.com/share/r/1ErWE6WUt1/
ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,বিনোদন প্রতিনিধি, রোববার,৩০ আগস্ট ২০২৬,১৪ ভাদ্র ১৪৩৩১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮:
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তবে সেই সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের নাম প্রকাশ করেননি চিফ প্রসিকিউটর।
Advertisement

-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫,০১৮০৬৬৭৬৬৬৩
অন্য একটি মামলার তদন্ত করতে গিয়ে ‘কল ডিটেইল রেকর্ড (সিডিআর)’ পর্যালোচনায় ওই সূত্র পাওয়ার কথা বলেছেন তিনি।
ট্রাইব্যুনালের নিজ কার্যালয়ে আজ রোববার সাংবাদিকদের চিফ প্রসিকিউটর এ কথা বলেন।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় এই সাংবাদিক দম্পতি নৃশংসভাবে খুন হন। সাগর মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক ছিলেন। রুনি ছিলেন এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক।
সাগর–রুনি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে কোনো ক্লু (সূত্র) পাওয়া গেছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেন, ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্ত করছে না। পিবিআই তদন্ত করছে। তবে তাঁরা (ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা) তদন্ত সংস্থা হিসেবে কাজ করেন। তদন্ত করতে গিয়ে হয়তো অন্য কোনো ঘটনার ক্লু পেয়ে যান তাঁরা। যেমন তাঁরা কিছু ক্লু পেয়েছেন মোজাফফরের (সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ মোজাফফর হোসেনের বিরুদ্ধে) ব্যাপারে।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, অন্য একটি মামলার সিডিআর পর্যালোচনা করতে গিয়ে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের কানেকশন (সংশ্লিষ্টতা) পাওয়া যায়। তাঁরা সেগুলো যাচাই-বাছাই করে দেখছেন। তাঁদের নজরদারি আছে। আরও তদন্ত হওয়ার পর অথেনটিক (নির্ভরযোগ্য) কোনো কিছু পাওয়া গেলে পিবিআইয়ের সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্মকর্তাকে হয়তো সেই তথ্য দিয়ে তাঁরা সহায়তা করবেন। সেই সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের নাম–পরিচয় প্রকাশ করার সুযোগ নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
Advertisement

সাগর–রুনি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ট্রাইব্যুনালের বিচারের আওতাভুক্ত কি না, তা জানতে চান একজন সাংবাদিক। জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এটি তাঁদের আওতাভুক্ত নয়। এই হত্যাকাণ্ড ওয়াইডস্প্রেড বা সিস্টেমেটিক (পদ্ধতিগত বা ব্যাপকমাত্রা) অপরাধ নয়। এটি একটি স্বতন্ত্র হত্যাকাণ্ডের মামলা। সে কারণে এটা সংশ্লিষ্ট দায়রা আদালতেই বিচার হবে।



