(ভিডিও )পাগলিটা মা হলো, বাবা হলো না কেউ

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ  ২৪.ম,ফেনীর দাগনভূঞা  প্রতিনিধি,শুক্রবার   ০৮ মে ২০২৬ ||  বৈশাখ ২৫ ১৪৩৩ || ২০ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি :

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার সিলোনিয়া এলাকার মোল্লাঘাট বাজারে এক ন্যক্কারজনক ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। মানসিক ভারসাম্যহীন এক অসহায় নারী সন্তান জন্ম দিয়েছেন। কিন্তু নবজাতকটির বাবার পরিচয় জানা যায়নি। স্থানীয়দের ধারণা, কোনো এক মানুষরূপী অমানুষের লালসার শিকার হয়েছিলেন ওই নারী।

Advertisement

অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে ঘটনাটি জানাজানি হলে ফেনী সদর হাসপাতাল থেকে ফোন পেয়ে মানবিক সহায়তায় এগিয়ে আসে স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন “বন্ধু মহল ফেনী জেলা”। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. রোকনউদ্দৌলার অনুরোধে সংগঠনের একটি মানবিক টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায়।

 

স্বেচ্ছাসেবীরা সেখানে গিয়ে জানতে পারেন, নবজাতকটি বর্তমানে স্থানীয় এক চটপটি বিক্রেতার বাসায় নিরাপদে রয়েছে এবং শিশুটির শারীরিক অবস্থাও ভালো। বাজার কমিটির সভাপতির সঙ্গে কথা বলে আরও জানা যায়, দাগনভূঞা থানা পুলিশ ঘটনাটির খোঁজখবর রাখছে এবং প্রয়োজনীয় তদারকি করছে।

 
পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটির সদস্যরা জানান, শিশুটি আপাতত নিরাপদ পরিবেশে রয়েছে বলে তারা নিজেদের তত্ত্বাবধানে নেয়ার প্রয়োজন মনে করেনি। বিষয়টি পুনরায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেও জানানো হয়েছে। পাশাপাশি শিশুটির খোঁজখবর নিয়মিত রাখা হবে বলেও জানান তারা। সংগঠনের পক্ষ থেকে নবজাতকের জন্য প্রয়োজনীয় উপহার ও সহায়তা পৌঁছে দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
 
 
তবে এই ঘটনার সবচেয়ে বেদনাদায়ক দিক হলো—একজন অসহায়, মানসিক ভারসাম্যহীন নারীও সমাজে নিরাপদ নন। অপরাধী হয়তো স্বাভাবিক জীবনযাপন করছে, অথচ লালসার শিকার নারীটি বেঁচে আছেন অসহায়ত্ব আর অবহেলার মধ্যে।
 
ফেনীর স্বেচ্ছাসেবী সংগঠ সহায় এর সংগঠক দুলাল তালুকদার বলেন, মানসিক ভারসাম্যহীন নারী, পথশিশু কিংবা অসহায় মানুষদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু পরিবারের নয়, রাষ্ট্র ও সমাজেরও দায়িত্ব। এমন ঘটনা কেবল একটি নারীর প্রতি সহিংসতা নয়, বরং পুরো মানবতার প্রতি নির্মম অপমান।

Advertisement

 
স্থানীয়রা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অপরাধীর শনাক্তকরণের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে অসহায় ও ঝুঁকিপূর্ণ মানুষদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও সমাজের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও মনে করেন তারা।