ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি,বুধবার ২২ এপ্রিল ২০২৬ || বৈশাখ ৯ ১৪৩৩ || ৪ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি :
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হরমুজ প্রণালিতে একটি কন্টেইনার জাহাজ লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করেছে ইরান। বুধবার (২২ এপ্রিল) ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই হামলা চালায়। খবর এপির।
Advertisement
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————
ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীর পর্যবেক্ষণ সংস্থা (ইউকেএমটিও) জানিয়েছে, ইরানের একটি গানবোট কোনো পূর্ব সতর্কবার্তা ছাড়াই জাহাজটিতে হামলা চালায়। এতে জাহাজটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
অন্যদিকে, ইরানি বার্তা সংস্থা তাসনিম দাবি করেছে, জাহাজটি তাদের সশস্ত্র বাহিনীর বারবার দেওয়া সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় ‘আইন অনুযায়ী’ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একে ‘হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের বৈধ নিয়ন্ত্রণ প্রয়োগ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে তেহরান। উল্লেখ্য , গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র একটি ইরানি জাহাজ জব্দ করায় দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা নতুন চরমে পৌঁছায়।
হরমুজ প্রণালিতে ইরানের এই হামলার কয়েক ঘণ্টা আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের জন্য যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা দেন, যাতে একটি ‘একীভূত প্রস্তাব’ নিয়ে তেহরান আলোচনায় বসতে পারে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধিতে সম্মত হওয়ার জন্য ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এর ফলে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার জন্য আরও কিছুটা সময় পাওয়া যাবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ তিনি লিখেছেন, “আমাদের ওপর যে আস্থা ও বিশ্বাস রাখা হয়েছে, তার ওপর ভিত্তি করে পাকিস্তান এই সংঘাতের আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।”
তবে ইরান এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এই যুদ্ধবিরতি বা আলোচনায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে কোনো সবুজ সংকেত দেয়নি। বিশেষ করে ইরানি বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ অব্যাহত রাখাকে একটি বড় বাধা হিসেবে দেখছে তেহরান।
Advertisement

জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস আশা প্রকাশ করেছেন যে, এই সামরিক উত্তেজনা কাটিয়ে দুই দেশ শেষ পর্যন্ত কূটনীতির পথে হাঁটবে। তবে মার্কিন অবরোধ ও ইরানের এই হামলার ঘটনা সেই আশার ওপর বড় একটি প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছে।



