ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি,বুধবার ২২ এপ্রিল ২০২৬ || বৈশাখ ৯ ১৪৩৩ || ৪ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি :
ইরানের বিরুদ্ধে সাত সপ্তাহব্যাপী ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ পরিচালনার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের খুবই গুরুত্বপূর্ণ সাতটি ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে। মুজদ আগের অবস্থায় ফিরে যেতে ৪ বছরেরও বেশি সময় লাগতে পারে। সিএসআইএস-এর সর্বশেষ রিপোর্টে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য হিলের।
Advertisement
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————
রিপোর্টে বলা হয়, মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের মোট প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ৫০ শতাংশ ব্যবহার করে ফেলেছে। অন্যান্য আধুনিক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদও আশঙ্কাজনক পর্যায়ে রয়েছে। স্বল্প ও মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী থাড সিস্টেমের অর্ধেকেরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র শেষ হয়ে গেছে।
এছাড়া প্রিসিশন স্ট্রাইক ক্ষেপণাস্ত্র মজুদের ৪৫ শতাংশ ব্যবহৃত হয়েছে। জেএএসএসএম ক্ষেপণাস্ত্রের ২০ শতাংশেরও বেশি ব্যবহৃত হয়েছে। এসএম-থ্রি ও এসএম-সিক্স ক্ষেপণাস্ত্রের যথাক্রমে ৩০ শতাংশ ও ১০ শতাংশের বেশি মজুদ ব্যয় হয়েছে।
সিএসআইএস-এর বিশ্লেষণ মতে, টমাহক এবং জেএএসএসএম-এর মতো প্রিসিশন-গাইডেড ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ ইরান যুদ্ধের আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে এক থেকে চার বছর সময় লাগতে পারে। সিএসআইএস সতর্ক করে বলেছে, এই ঘাটতি প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে (বিশেষ করে চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতে) মার্কিন সক্ষমতাকে ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘ইরান যুদ্ধের আগেই মজুদ পর্যাপ্ত ছিল না, এখন এই ঘাটতি আরো তীব্র হয়েছে।”
এদিকে, এই রিপোর্ট নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হলে পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল দ্য হিলকে বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনীর কাছে ‘প্রেসিডেন্টের পছন্দমতো সময়ে এবং স্থানে যেকোনো অভিযান চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুই রয়েছে’। ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদের গভীরতা নিয়ে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করাকে তিনি ‘ভ্রান্ত এবং অসম্মানজনক’ বলে অভিহিত করেছেন।
Advertisement

অন্যদিকে, পেন্টাগনের কমপট্রোলার জুলস ‘জে’ হার্স্ট জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেটের অংশ হিসেবে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন বাড়াতে অস্ত্র উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সাত বছরের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এর আগে গত মাসে ট্রাম্প উন্নত মানের অস্ত্র উৎপাদন চার গুণ বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।
সিএসআইএস-এর রিপোর্টে লেখক মার্ক এফ কানসিয়ান এবং ক্রিস এইচ পার্ক উল্লেখ করেছেন যে, ইরান যুদ্ধ শেষ হলে নৌ-সম্পদগুলো প্রশান্ত মহাসাগরে ফিরে যাবে ঠিকই, কিন্তু ফুরিয়ে যাওয়া ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার পুনরায় পূর্ণ করে কাঙ্ক্ষিত স্তরে পৌঁছাতে অনেক বছর সময় লেগে যাবে।



