ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি, মঙ্গলবার ১০ মার্চ ২০২৬ || ফাল্গুন ২৫ ১৪৩২ || ২০ রমজান ১৪৪৭ হিজরি :
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধের মধ্যে বড় ধরনের সামরিক ক্ষতির মুখে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, সংঘাত চলাকালে এখন পর্যন্ত ১১টি অত্যাধুনিক এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। এসব ড্রোন ধ্বংস হওয়ায় মোট ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৩০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি।
সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড বলছে, ইরান যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ১১টি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন হারিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে সিবিএস নিউজ জানিয়েছে, এটি এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় সামরিক সরঞ্জাম ক্ষতির ঘটনা।
সম্প্রতি আরও দুটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। এতে ধ্বংস হওয়া ড্রোনের মোট সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১টিতে। এসব ড্রোনের মোট মূল্য ৩৩০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মূলত এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন হলো চালকবিহীন এমন আকাশযান, যা মূলত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি ও পর্যবেক্ষণ মিশনে ব্যবহৃত হয়। পাশাপাশি নির্ভুল হামলা চালানোর কাজেও এটি ব্যবহার করা হয়।
Advertisement
প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

তবে প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা বলছেন, উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মুখে এই ধরনের ড্রোন সহজেই লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠতে পারে। কারণ ড্রোনগুলো মূলত এমন এলাকায় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের জন্য তৈরি করা হয়েছিল, যেখানে শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই। ভারী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসম্পন্ন আকাশসীমায় পরিচালনার জন্য এগুলো নকশা করা হয়নি।
এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনের সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় প্রায় ৪৮০ কিলোমিটার। অন্যদিকে যুদ্ধবিমানগুলো ঘণ্টায় প্রায় ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৯০০ মাইল গতিতে উড়তে পারে, যা ড্রোনটির তুলনায় অনেক বেশি দ্রুত।

মূলত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, নজরদারি ও পর্যবেক্ষণ মিশনে ব্যবহৃত হয়ে থাকে এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন। ছবি: সংগৃহীত


