(ভিডিও)জঙ্গল সলিমপুরে ‘সাঁড়াশি’ অভিযান যৌথবাহিনীর

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ  ২৪.ম,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি, মঙ্গলবার   ১০ মার্চ ২০২৬ ||  ফাল্গুন ২৫ ১৪৩২ || ২০ রমজান ১৪৪৭ হিজরি :

চট্টগ্রামে অপরাধীদের অভয়ারণ্য জঙ্গল সলিমপুরে অবশেষে সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে যৌথবাহিনী। গতকাল সোমবার সাহরির কিছু সময় পর থেকেই জঙ্গল সলিমপুরের চারদিক ঘেরাও করে ফেলে যৌথবাহিনী। সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও এপিবিএনসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রায় সোয়া তিন হাজার সদস্য সকাল ৬টা নাগাদ সন্ত্রাসীদের এই অভয়ারণ্যে প্রবেশ করেন। কিন্তু ভেতরে প্রবেশ করতে গিয়েই চোখ ছানাবড়া হয়ে যায় বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের। এলাকার প্রবেশমুখে ফেলে রাখা হয়েছে একটি ট্রাক। কিছুদূর যেতেই দেখা যায় ভেঙে ফেলা হয়েছে একটি কালভার্ট। তুলে ফেলা হয়েছে নালার স্ল্যাব। এতে অভিযানের খবর আগেই সন্ত্রাসীদের কাছে ফাঁস হয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সেখানকার অঘোষিত সা¤্রাজ্য মালিক সন্ত্রাসী ইয়াসিনসহ শীর্ষ সন্ত্রাসীরাও যৌথবাহিনীকে ফাঁকি দিয়ে পালিয়েছে। তবে এলাকাটিতে প্রশাসনিক পূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার দাবি করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সিভিল প্রশাসন।

Advertisement

অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, গতকালের এই অভিযানে প্রায় সাড়ে পাঁচ শ’ সেনাসদস্য, ১৮শ’ পুলিশ, সাড়ে তিন শ’ এপিবিএন, চারশ’ র‌্যাব ও ১২০ জন বিজিবি সদস্য অংশ নিয়েছেন। এ ছাড়া অভিযানে ব্যবহৃত হয় ১৫টি সাঁজোয়া যান এপিসি, ডগ স্কোয়াড এবং তিনটি হেলিকপ্টার। ব্যবহার করা হয় নজরদারির ১২টি ড্রোনও। পাহাড়ি দুর্গম এলাকা হওয়ায় অভিযান পরিচালনায় বিশেষ কৌশল ও প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় বলেও সূত্র জানায়।

এদিকে অভিযানকালে বেশ ক’জন সন্ত্রাসীকে আটক ও অস্ত্র উদ্ধার করার কথা বলা হলেও তারা কেউই শীর্ষপর্যায়ের নয় বলে জানা গেছে।

আগেই ফাঁস হয়েছিল অভিযানের খবর?

সন্ত্রাসীদের এই অভয়ারণ্যে অভিযান চালাতে গিয়ে নানা প্রতিবন্ধকতার মুখোমুখি হতে হয়েছে যৌথবাহিনীর সদস্যদের। একেবারে আলী নগরের প্রবেশমুখে রাস্তার ওপর রাখা হয় বড় ট্রাক। কোথাও আবার ভেঙে ফেলা হয়েছে কালভার্ট। নালার স্ল্যাবও তুলে ফেলা হয়েছে একটি স্থানে। খোদ আইনশৃঙ্খলা রাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের ধারণা, অভিযানের খবর আগেই পেয়েছে জঙ্গল সলিমপুরে থাকা সন্ত্রাসীদের একটি অংশ। তাই অভিযানের আগে রোববার রাতেই এসব প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে সন্ত্রাসীরা। জঙ্গল সলিমপুরের ছিন্নমূলের পরেই আলীনগর। ছিন্নমূল যাওয়ার পর আলীনগর ঢোকার আগে রাস্তায় একটি ট্রাক দিয়ে ব্যারিকেড দেয়া হয়। যৌথবাহিনীর সদস্যরা এটি সরিয়ে সামনে এগোয়। কিছু দূর পরে ভেঙে ফেলা কালভার্টের অংশ ইট-বালু দিয়ে ভরাট করে যৌথবাহিনীর গাড়ি আলীনগরে প্রবেশ করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

অভিযান শুরুর আগে কিভাবে এসব ঘটল জানতে চাইলে পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি নাজমুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, এটি অনেক বড় অভিযান। এখানে বিভিন্ন বাহিনীর লোকজন আছে। জঙ্গল সলিমপুর এলাকা যারা নিয়ন্ত্রণ করে তাদের সিএনজি অটোরিকশার চালক থেকে শুরু করে বিভিন্ন সোর্স রয়েছে। কোনোভাবে হয়তো জেনে গেছে।

পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি প্রশাসনের : জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি করেছে পুলিশ। বিস্তীর্ণ এই এলাকার নিরাপত্তায় র‌্যাব ও পুলিশের দু’টি ক্যাম্প স্থাপন করা হবে বলেও জানিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবীব পলাশ। সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি বলেন, আমাদের অভিযান চলমান। র‌্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি ও এপিবিএনের মোট তিন হাজার ২০০ সদস্য এই অভিযানে অংশ নিয়েছেন। ভোর থেকেই আমরা এখানে কাজ শুরু করি। আমাদের প্রধান ল্য ছিল এই বিশাল এলাকায় আমাদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা এবং আমরা তা পেরেছি। এখন থেকে এলাকার নিরাপত্তায় পুলিশ ও র‌্যাবের দু’টি ক্যাম্প চালু হবে। পাহাড়ি দুর্গম এলাকায় ক্যাম্পের নিরাপত্তা কিভাবে নিশ্চিত করা হবে- এ প্রশ্নের জবাবে ডিআইজি বলেন, ক্যাম্পের নিরাপত্তার প্রয়োজনে আমরা এখানে কামান মোতায়েন করব।

চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মোহাম্মদ জিয়াউদ্দীন সাংবাদিকদের বলেন, এখানে যে প্রশাসনিক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করার প্রয়োজন ছিল, তা এখন হয়েছে। সরকার আগে থেকেই এই এলাকা ঘিরে উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়েছিল, এখন আমরা সেগুলো বাস্তবায়নের কাজ শুরু করব।

পালিয়ে গেছে ইয়াসিনসহ শীর্ষ সন্ত্রাসীরা : জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের দু’টি প রয়েছে। একটি পরে নেতৃত্বে রয়েছেন মোহাম্মদ ইয়াসিন এবং অপর পে রোকন উদ্দিন তথা রোকন মেম্বার। ইয়াসিন গত জানুয়ারিতে ওই এলাকায় অভিযানে যাওয়া এক র‌্যাব কর্মকর্তাকে হত্যার মামলায় প্রধান আসামি। জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগর এলাকায় রয়েছে তার একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ। ইয়াসিন বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সীতাকুণ্ডের তৎকালীন এমপি আওয়ামী লীগ নেতা এস এম আল মামুনের অনুসারী ছিলেন। ২০২৪ সালের জুলাই-আগষ্ট বিপ্লবের পর থেকে ইয়াসিন নিজেকে বিএনপি নেতা আসলাম চৌধুরীর অনুসারী বলে দাবি করে আসছিলেন। তবে গত জানুয়ারিতে র‌্যাব কর্মকর্তা নিহত হওয়ার পর গণমাধ্যমে বিবৃতি দিয়ে আসলাম চৌধুরী বলেছেন, জঙ্গল সলিমপুরে তার কোনো অনুসারী নেই। ঘটনার সাথে বিএনপির কেউ জড়িত নন।

গতকালের এই অভিযানে জঙ্গল সলিমপুর ও আলীনগর এলাকার ‘ইয়াসিন বাহিনী’র প্রধান মো: ইয়াসিনসহ শীর্ষ সন্ত্রাসীদেরকে গ্রেফতার করতে পারেনি যৌথবাহিনী। ইয়াসিন বা রোকন মেম্বাররা পালিয়ে গেছেন। কেউ কেউ বলছেন, ইয়াসিন বোরকা পরে পালিয়েছেন। আবার কেউ কেউ সে সিএনজি চালকের ছদ্মবেশে পালাতে পারেন বলেও ধারণা করছেন।

অস্ত্র-বিস্ফোরক উদ্ধার, ১২ জন আটক : জঙ্গল সলিমপুরে যৌথবাহিনীর অভিযানে অস্ত্র-বিস্ফোরক উদ্ধারসহ ১২ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া এলাকাটিতে দু’টি অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো: আহসান হাবীব পলাশের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে যৌথবাহিনীর সদস্যরা জঙ্গল সলিমপুর এলাকার বিভিন্ন পাহাড়ি ও দুর্গম স্থানে একযোগে অবস্থান গ্রহণ করে চিরুনি তল্লাশি শুরু করে। সন্দেহভাজন আস্তানা, ঝুঁকিপূর্ণ বসতি, পাহাড়ি পথ, গোপন স্থাপনা এবং অপরাধীদের সম্ভাব্য অবস্থানগুলোতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রাকারী বাহিনীর সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে মোট ১২ জনকে আটক করেন। তল্লাশিকালে উদ্ধার করা হয় একটি পিস্তল, একটি এলজি, কার্তুজ চারটি, ককটেল (বিস্ফোরক) ১১টি, দেশীয় অস্ত্র ১৭টি, সিসি ক্যামেরা ১৯টি, ডিভিআর দু’টি, পাওয়ার বক্স একটি, বাইনোকুলার দু’টি।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যে, আলামতগুলো সন্ত্রাসী কার্যক্রম পরিচালনা, এলাকায় নজরদারি স্থাপন এবং আইনশৃঙ্খলা রাকারী বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেণের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হতো। অভিযান পরিচালনাকালে কোনো প্রকার হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

অভিযান শেষে জঙ্গল সলিমপুর ছিন্নমূল ও আলীনগর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধীদের আবার সংগঠিত হওয়ার সুযোগ বন্ধ করা এবং স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ল্েয ঊর্ধ্বতন কর্তৃপরে অনুমতিক্রমে ওই এলাকায় দু’টি অস্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।

যেন দেশের বিচ্ছিন্ন কোনো এলাকা!

গত প্রায় চার দশক ধরে জঙ্গল সলিমপুর এলাকা বিভিন্ন সন্ত্রাসী গ্রুপের অভয়ারণ্য হিসেবে পরিচিত। পাহাড়ি ও দুর্গম এলাকা হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরেই এখানে প্রশাসনের কর্তৃত্ব দুর্বল ছিল। এই সুযোগে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো এখানে নিজেদের শক্ত ঘাঁটি তৈরি করে। জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্র তৈরির কারখানা, মাদক কারবার, অপহরণ, চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা, জুয়াসহ এমন কোনো অপরাধ নেই যা সেখানে বিদ্যমান নেই।

স্থানীয়দের সাথে আলাপে জানা যায়, বর্তমানে আলোচিত সন্ত্রাসী ইয়াসিন জীবিকার সন্ধানে নোয়াখালী থেকে চট্টগ্রামে এসেছিলেন ছোট ভাই ফারুকসহ। চট্টগ্রাম শহরে এসে শুরুর দিকে সিএনজি অটোরিকশা চালাতেন। পরে আলোচিত জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় একটি ঘর ভাড়ায় নিয়ে বসবাস শুরু করেন। এরপর নোয়াখালীসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে সন্ত্রাসী ও দাগি আসামিদের এনে সেখানে আশ্রয় দিতে শুরু করেন। সময়ের পরিক্রমায় গড়ে ওঠে তার নিজস্ব সশস্ত্রবাহিনী। পরবর্তীতে সেখানে পাহাড় কেটে মাটি ও জমি বিক্রি করে বিপুল অর্থ উপার্জন করতে থাকেন ইয়াসিন ও তার ভাই ফারুক। পাহাড় কেটে একদিকে মাটি বিক্রি এবং অন্যদিকে দখল করা জায়গা বিক্রি করে অল্প সময়েই তারা কোটিপতি বনে যান।

এভাবে বিশাল একটি এলাকায় নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে তারা ওই জায়গার নাম দেয় ‘আলীনগর’। আলীনগরে প্রবেশের জন্য রয়েছে তিনটি নির্দিষ্ট পথ। এই তিনটি পথেই সার্বণিক পাহারায় থাকে ইয়াসিন বাহিনীর সশস্ত্র সদস্যরা। তাদের অনুমতি ছাড়া বাইরের কেউ সেখানে প্রবেশ বা বের হতে পারে না। সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসকারীদের ইয়াসিনের স্বার করা বিশেষ পাস দেয়া থাকে বলেও সূত্র জানায়।

গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুরে অভিযানে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হন র‌্যাব-৭-এর উপসহকারী পরিচালক (নায়েব সুবেদার) মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া। এ ঘটনায় সীতাকুণ্ড থানায় মামলা দায়ের করে র‌্যাব। মামলায় আসামি হিসেবে সন্ত্রাসী ইয়াসিনসহ ২৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া আসামি করা হয় অজ্ঞাতপরিচয় আরো ২০০ জনকে। ওই মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, র‌্যাব সদস্যরা আসামি ধরতে গেলে তাদের ওপর সন্ত্রাসী ইয়াসিনের নির্দেশে রামদা, কিরিচ ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালানো হয়। ছিনিয়ে নেয়া হয় র‌্যাবের আটক করা এক আসামিকে। চার র‌্যাব সদস্যকে অপহরণ করে নিয়ে যান আসামিরা। পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ তাদের উদ্ধার করে। এ ঘটনার পর জঙ্গল সলিমপুরে সমন্বিত অভিযান চালানোর কথা বলে আসছিলেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা।

Advertisement

প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম মহানগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থেকে দুই কিলোমিটার পশ্চিমে এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনের বিপরীতে ভাটিয়ারি লিংক রোডের উত্তর পাশে প্রায় তিন হাজার একর জায়গায় জঙ্গল সলিমপুরের অবস্থান। সীতাকুণ্ড উপজেলায় অবস্থিত হলেও মহানগরীর কাছেই এই এলাকা। দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী, অস্ত্র ব্যবসায়ী, মাদক কারবারি ও বিভিন্ন অপরাধী চক্রের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার মাঠপর্যায়ের তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় প্রাপ্ত ফুটেজের ভিত্তিতে গতকালের পুরো অভিযানের পরিকল্পনা করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প থেকে জানানো হয়েছে, এই অভিযানের মূল ল্য হলো জঙ্গল সলিমপুরে গড়ে ওঠা সন্ত্রাসীদের গোপন আস্তানা ধ্বংস করা এবং এলাকাটিকে অপরাধমুক্ত করা।

জঙ্গল সলিমপুরে ‘সাঁড়াশি’ অভিযান যৌথবাহিনীর