(ভিডিও)নয়াপল্টনে স্কুলে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় ব্যবস্থাপক গ্রেপ্তার

SHARE

(গ্রেপ্তার পবিত্র কুমার বড়ুয়াছবি: পুলিশের কাছ থেকে পাওয়া)

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.ম,রাজধানীর নয়াপল্টন প্রতিনিধি,শুক্রবার   ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ ||  মাঘ ৯ ১৪৩২ :

রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় স্কুলে শিশু নির্যাতনের ঘটনায় স্কুলের ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমার বড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

Advertisement

অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

আজ শুক্রবার ভোরে মিরপুর এলাকার একটি বাসা থেকে পল্টন থানার পুলিশ পবিত্র কুমার বড়ুয়াকে গ্রেপ্তার করে। তিনি শারমিন একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা স্কুলের প্রধান শিক্ষক শারমিন জাহানের স্বামী।

সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (মতিঝিল জোন) হুসাইন মুহাম্মদ ফারাবী প্রথম আলোকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানিয়েছেন।

শিশুটিকে ধরে রেখেছেন প্রধান শিক্ষক শারমিন জাহান। আর মারধর করছেন স্কুলের ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমার
শিশুটিকে ধরে রেখেছেন প্রধান শিক্ষক শারমিন জাহান। আর মারধর করছেন স্কুলের ব্যবস্থাপক পবিত্র কুমারছবি: সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ থেকে নেওয়া

পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ প্রথম আলোকে বলেন, পল্টন থানার পুলিশের আরেকটি দল আরেক আসামি শারমিন জাহানকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে।

Advertisement

এ জে সেন্টারে বিত্রুয় প্রতিনিধি আবশ্যক
__________________________
এ সি,ডিসি লাইট,বাথ ব্যাথা,চুলকানীর মলম,ইত্যাদি বিক্রয় করা হয়।
বিক্রয় প্রতিনিধিদের সাইকেল ও মোবাইল দেওয়া হয়, আলোচনাশাপেক্ষে।
যোগাযোগ করুন-মোবাইল : ০১৯৭৮৬২৪২০৫
মোঃ মতিউর রহমান
এ জে সেন্টার
বারদি 
বাজার,সোনারগাঁও
জেলা- নারায়নগঞ্জ

_______________________________________

১৮ জানুয়ারি নয়াপল্টন এলাকার মসজিদ রোডে শারমিন একাডেমি নামের একটি স্কুলে একটি শিশুকে নির্যাতন করা হয়। শিশুটি স্কুলে প্রি–প্লে শ্রেণিতে পড়ত। তার বয়স চার বছরের কম।

স্কুলের অফিসকক্ষে শিশু নির্যাতনের ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, একটি অফিসকক্ষে স্কুলের পোশাক পরা একটি শিশুকে নিয়ে ঢুকলেন এক নারী। শিশুটিকে প্রথমে ওই নারী চড় দিলেন। এরপর শিশুটির ওপর চড়াও হলেন আগে থেকেই অফিস কক্ষে থাকা এক পুরুষ। ওই পুরুষ কখনো শিশুটির গলা চেপে ধরছিলেন, কখনো মুখ চেপে ধরছিলেন। হাতে স্ট্যাপলার ছিল। শিশুটি কখনো কাঁদছিল, কখনো অস্থির হচ্ছিল। ওই নারী হাত ধরে তাকে আটকে রাখছিল। একপর্যায়ে শিশুটি ওই নারীর শাড়িতে থুতু ফেললে পুরুষটি শিশুটির মাথা শাড়িতে থুতু ফেলার জায়গায় চেপে ধরেন এবং সেই অবস্থায় কয়েকবার শিশুর মাথায় ঝাঁকি দেন।