ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,কুমিল্লার সদর দক্ষিণ প্রতিনিধি,রোববার ২৮ জুন ২০২৬ || আষাঢ় ১৪ ১৪৩৩ || ১২ মহররম ১৪৪৮ হিজরি :
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সংলগ্ন কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার মোস্তফাপুর এলাকার জাইতুন রেস্তোরাঁয় সকালে নাশতা করার পর ভুলে শিশু সন্তান ফেলে যায় বাংলাদেশে বেড়াতে আসা পাকিস্তানি পরিবার।
-
Advertisement

-
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫,০১৩১৫২৫১১৪৫,০১৮০৬৬৭৬৬৬৩
শনিবার (২৭ জুন) সকাল সাড়ে ৮টায় ঘটা এ ঘটনার প্রায় ৬ ঘণ্টা পর চট্টগ্রাম থেকে ফিরে এসে ওই শিশুকে নিয়ে যায় পরিবারের সদস্যরা। ততক্ষণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার জন্ম দেয়। প্রশ্ন উঠে পরিবারটির সচেতনতা নিয়েও।
রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী লুৎফুর রহমান রিপন বলেন, ‘‘সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বিদেশি ওই পরিবারের সদস্যরা রেস্টুরেন্টে নাশতা করতে আসে। ঘণ্টাখানেক পর তারা যখন সেখান থেকে চলে যায়, তখন একটি বাচ্চাকে আমরা একা দেখতে পাই। সে কোনো কথা বলে না। নামও বলতে পারে না। তখন বুঝতে পারি, ওই পরিবারটি ভুলে তাকে ফেলে চলে গেছে। তাৎক্ষণিক আমরা বিষয়টি সদর দক্ষিণ মডেল থানায় অবহিত করি।’’
এ ঘটনায় রেস্টুরেন্টের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বিদেশি পরিবারটি প্রায় ১৫ জন সদস্য নিয়ে দুটি গাড়িতে করে এসে জাইতুন রেস্তোরাঁয় বসে নাশতা করছেন। এ সময় তারা গল্প-আড্ডায় মেতে ছিলেন। যাওয়ার সময় ভুলক্রমে বাচ্চাটিকে রেস্টুরেন্টের ভেতরে ফেলে চলে যায়।
বিষয়টি নিয়ে বেলা আড়াইটায় পুনরায় লুৎফুর রহমান রিপনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের এখানে নাশতা করে ওই পরিবারটি চট্টগ্রাম পর্যন্ত চলে গিয়েছিল। তারা যে দুটি গাড়িতে এসেছে, এর একটিতে বাচ্চার মা এবং অপরটিতে বাচ্চার বাবা ছিল। তাদের একজন ভেবেছে, অপরজনের কাছে বাচ্চা আছে। পরে আমাদের ফেসবুক পেজে পোস্ট তাদের নজরে আসলে কিছুক্ষণ পূর্বে তারা বাচ্চাটিকে নিতে আসে।’’
-
Advertisement

পরে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চন্দ্র রায়ের উপস্থিতিতে শিশুটিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় বলে জানিয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ।

ভুলে রেস্টুরেন্টে শিশু সন্তান ফেলে যায় বাংলাদেশে বেড়াতে আসা পাকিস্তানি পরিবার। ৬ ঘণ্টা পরে এসে শিশুটিকে নিয়ে যায়।


