(ভিডিও)কিশোরগঞ্জে ভূমি অফিসে সাংবাদিক হেনস্তা: বহিরাগত দিয়ে সরকারি সার্ভার ব্যবহারের অভিযোগে উত্তেজনা

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ  ২৪.ম,কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম  প্রতিনিধি,মঙ্গলবার   ১৯ মে ২০২৬ ||  জ্যৈষ্ঠ ৫ ১৪৩৩ || ২ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি :

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলায় তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক হেনস্তার শিকার হয়েছেন বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অষ্টগ্রাম সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাকে ঘিরে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Advertisement

অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

 

হেনস্তার শিকার সাংবাদিকরা হলেন; দৈনিক ইনকিলাবের কিশোরগঞ্জ (অষ্টগ্রাম) উপজেলা সংবাদদাতা নাদিরুজ্জামান আজমল (২৯) এবং দৈনিক বাংলাদেশ বুলেটিনের কিশোরগঞ্জ (অষ্টগ্রাম) উপজেলা প্রতিনিধি মাহবুব আলম (৩২)।

 

ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের দাবি; ভুক্তভোগী কয়েকজনের অভিযোগ ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারেন যে; জাবেদ মিয়া নামে এক বহিরাগত যুবক দীর্ঘদিন ধরে অষ্টগ্রাম সদর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে স্টাফ পরিচয়ে কাজ করছেন। শুধু তাই নয়; তিনি সরকারি সার্ভার ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা আদায় করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

 

এই তথ্য যাচাই করতে বুধবার ৮ এপ্রিল দুপুরে তারা অষ্টগ্রাম সদর ভূমি অফিসে গেলে জাবেদ মিয়াকে সরকারি সার্ভারে কাজ করতে দেখেন বলে দাবি করেন।

 

সাংবাদিকদের ভাষ্য অনুযায়ী, এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে পাশের কক্ষ থেকে অফিস সহকারী সুব্রত ভট্টাচার্যসহ কয়েকজন এসে সংঘবদ্ধভাবে তাদের ওপর চড়াও হন।

 

তাদের অভিযোগ, এ সময় শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়; হাতে থাকা দুটি মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়।

 

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অফিস সহকারী সুব্রত ভট্টাচার্য। তার দাবি, সাংবাদিকরা বিনা অনুমতিতে অফিসকক্ষে ভিডিও ধারণ করছিলেন। তাদের বাধা দেওয়া হলে তারা উল্টো উত্তেজিত হয়ে কর্মরতদের ওপর আক্রমণের চেষ্টা করেন।

 

ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। স্থানীয় সাংবাদিকরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

 

সরকারি অফিসে বহিরাগত ব্যক্তিদের মাধ্যমে সরকারি সার্ভার ব্যবহার কতটুক যৌক্তিক ? দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারী নিয়োগ থাকা সাপেক্ষে এ ধরনের কাজ বহিরাগত ব্যক্তির কাজ করা কতটুকু বিধিসম্মত? এখানে নিশ্চয় কোন দুর্নীতির ছোঁয়া রয়েছে এবং সাংবাদিকদের হেনস্তা করায় অভিযোগএর সত্যতা স্পস্ট হয়েছে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।

Advertisement

একটি সরকারি দপ্তরে বহিরাগতদের দিয়ে সরকারি সার্ভারের গোপনীয় পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে পরিচালনা করা ও সাংবাদিকদের হেনস্তার অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে এখন নানা মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।