(ভিডিও )ইকোনমিস্টের প্রতিবেদনে চাঞ্চল্যকর তথ্য যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইরানকে যেসব অত্যাধুনিক অস্ত্র ও প্রযুক্তি দিতে চেয়েছিল রাশিয়া

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ  ২৪.ম,আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি,শনিবার   ০৯ মে ২০২৬ ||  বৈশাখ ২৬ ১৪৩৩ || ২১ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি :

বিপুল সামরিক শক্তি নিয়েও ইরানের সঙ্গে কুলিয়ে উঠতে পারল না যুক্তরাষ্ট্র। যুদ্ধে ব্যর্থতার পর সেই আলোচনার টেবিলেই ফিরতে হয়েছে মার্কিনিদের। আর যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইরানকে নানাভাবে সহায়তা করেছে রাশিয়া। বিশ্লেষকদের ধারণা, রাশিয়ার অত্যাধুনিক প্রযুক্তির বলেই সম্ভবত যুদ্ধক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে পেরেছে ইরান।

Advertisement

অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

ধারণা করা হচ্ছে, ভ্লাদিমির পুতিনের সরকার ইরানকে এমন গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করেছে, যার সহায়তায় ইরানি ড্রোনগুলো মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করতে সক্ষম হয়েছে। ব্রিটিশ সাময়িকী ইকোনমিস্টের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, জ্যাম করা সম্ভব নয় এমন ড্রোন ও এসব পরিচালনার জন্য প্রশিক্ষণ দেয়ার প্রস্তাবও মস্কো।

গোপন একটি নথির বরাত দিয়ে দ্য ইকোনমিস্ট জানায়, পুতিন প্রশাসনের গোপন পরিকল্পনার আওতায় রাশিয়া ইরানকে ৫ হাজার স্বল্প-পাল্লার ফাইবার-অপটিক ড্রোন দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। এ ছাড়াও অজ্ঞাতসংখ্যক দীর্ঘ-পাল্লার স্যাটেলাইট-নির্দেশিত ড্রোন দেয়ার কথাও উল্লেখ ছিল। তেহরানের কাছে মস্কোর এই প্রস্তাবে উভয় ধরনের ড্রোন পরিচালনার জন্য বিশেষজ্ঞ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ড্রোন সরবরাহ পরিকল্পনাটি ছিল রাশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর গোয়েন্দা শাখা জিআরইউ-র (জিআরইউ) প্রস্তুত করা ১০ পৃষ্ঠার একটি প্রস্তাবনার অংশ। প্রস্তাবে ছয়টি চিত্র ও ইরানের উপকূলবর্তী দ্বীপগুলোর একটি মানচিত্রও ছিল বলে জানিয়েছে দ্য ইকোনমিস্ট।

নথির বিশ্লেষণে ব্রিটিশ সাময়িকীটি ধারণা করেছে, যুদ্ধের প্রথম ছয় সপ্তাহের মধ্যেই এই প্রস্তাবটি খসড়া করা হয়েছিল। তবে নথিটি আদৌ ইরানিদের হাতে পৌঁছেছিল কি না, কিংবা মস্কো ইরানে কোনও ড্রোন পাঠিয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

রাশিয়ার গোপন পরিকল্পনায় ইরানকে স্টারলিংক টার্মিনাল-সজ্জিত দীর্ঘ-পাল্লার স্যাটেলাইট-নির্দেশিত ড্রোন সরবরাহের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত ছিল বলে জানা গেছে। অতীতে ইউক্রেনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এড়াতে বা আক্রমণ করতে রাশিয়া এই ধরনের ড্রোন ব্যবহার করেছে।

তবে চলতি বছরের শুরুতে ধনকুবের ইলন মাস্ক ইউক্রেনে পরিচালিত সব স্টারলিংক টার্মিনাল বন্ধ করে রুশ বাহিনীর প্রবেশাধিকার সীমিত করেন। শুধুমাত্র ইউক্রেন সরকারের অনুমোদিত ‘হোয়াইট লিস্ট’-ভুক্ত টার্মিনালগুলো চালু রাখা হয়।

Advertisement

পরিকল্পনার আরেকটি অংশ ছিল রুশ সরঞ্জাম ব্যবহারে ইরানি বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেয়া। দ্য ইকোনমিস্টের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, রাশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অধ্যয়নরত আনুমানিক ১০ হাজার ইরানি শিক্ষার্থীর মধ্য থেকে ড্রোন অপারেটর নিয়োগের প্রস্তাবও দিয়েছিল মস্কো।

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইরানকে যেসব সমরাস্ত্র ও প্রযুক্তি দিতে চেয়েছিল রাশিয়া