মেঘনা ভাবির ছবি বিকৃত করে ছড়ানোর অভিযোগে দেবর গ্রেপ্তার

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ  ২৪.ম,মো. ইব্রাহীম খলিল মোল্লা, মেঘনা (কুমিল্লা) থেকে, বৃহস্পতিবার   ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ||  বৈশাখ ১০ ১৪৩৩ || ৫ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি :

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় এক তরুণীর ছবি বিকৃত করে অশ্লীলভাবে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মেঘনা থানা পুলিশ।

Advertisement

অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের হিজলতলী এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া যুবক ওই এলাকার ওহিদুজ্জামান রতন সরকারের ছেলে মো. আবু সাঈদ সরকার (২৪)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি ভুক্তভোগীর স্বামীর আপন চাচাতো ভাই হওয়ায় সেই পরিচয়ের সুযোগে দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগীকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এ পরিস্থিতি এড়াতে ভুক্তভোগী পার্শ্ববর্তী দাউদকান্দি উপজেলার গৌরিপুর এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করলেও অভিযুক্ত সেখানে গিয়েও তাঁকে অনুসরণ করে বিভিন্ন সময় আপত্তিকর প্রস্তাব দিতে থাকেন। ভুক্তভোগী প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় অভিযুক্ত গোপনে তাঁর ছবি সংগ্রহ করে সেগুলো বিকৃত ও অশ্লীলভাবে সম্পাদনা করেন, পরে সেসব ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করেন এবং দাবিকৃত অর্থ না পেয়ে গত ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর একাধিক নম্বর ব্যবহার করে ভুক্তভোগীর পরিচিত ব্যক্তিদের কাছে ইমো ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে অশ্লীল ছবি ও ভিডিও পাঠান। পরবর্তীতে ঘটনার বিষয়ে জানতে পেরে ভুক্তভোগী অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন এবং পুনরায় প্রস্তাবে রাজি না হলে আরও ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন।

মেঘনা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তন্ময় ভট্টাচার্য্য জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২-এর বিভিন্ন ধারায় মেঘনা থানায় একটি মামলা দায়ের করার পর অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর ব্যবহৃত একটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়, যেখানে ভুক্তভোগীর বিকৃত ও অশ্লীল ছবি সংরক্ষণ ও আদান-প্রদানের প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম সময়ের কন্ঠস্বরকে বলেন, আমরা সাইবার ও অনলাইনভিত্তিক অপরাধের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছি এবং সাইদের মতো এ ধরনের অপরাধে কেউ জড়িত হলে তাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আসামি সাইদকে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কুমিল্লা আদালতে পাঠানো হয়েছে।