(ভিডিও)যাত্রাবাড়ীতে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় আরও এক গ্রেপ্তার, মোট ৩

SHARE

https://www.facebook.com/share/v/1LEMnYKs3S/

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ  ২৪.ম,যাত্রাবাড়ী প্রতিনিধি , বুধবার   ২৭ মে ২০২৬ ||  জ্যৈষ্ঠ ১৩ ১৪৩৩ || ১০ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি :

যাত্রাবাড়ীতে মানসিক ভারসাম্যহীন নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চ্যানেল 24 এ সংবাদ প্রচারের পর রাতভর অভিযান চালিয়ে রাজধানীর ফকিরাপুল এলাকা থেকে উজ্জ্বল নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, উজ্জ্বল পেশায় একজন ভ্যানচালক। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ নিয়ে মামলাটিতে এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

Advertisement

অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

এর আগে ধলপুর এলাকায় সংঘটিত ওই ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দুইজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে অটোরিকশা চালক রুবেল ও স্থানীয় একটি দোকানের কর্মচারী জাকির হোসেন রয়েছেন। আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তারা ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজু আহমেদ বলেন, গ্রেপ্তার উজ্জ্বলকে বুধবার (২৭ মে) আদালতে হাজির করা হবে। তিনি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি না দিলে তদন্তের স্বার্থে রিমান্ডের আবেদন করা হবে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ মে মধ্যরাতে ধলপুর এলাকার একটি গলিপথে অটোরিকশায় করে ওই নারীকে আনা হয়। পরে তাকে পাশের একটি ভবনের নিচতলা ও আশপাশের এলাকায় নিয়ে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, যা সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়ে। পরদিন সকালে স্থানীয়রা তাকে অচেতন অবস্থায় সড়কে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাকে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় একদিন পর তিনি মারা যান।

নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ছোট ভাই জানান, তার বোন দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন এবং কয়েক সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ ছিলেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

এ ঘটনায় শুরুতে একটি অপমৃত্যুর মামলা হলেও পরে ১৭ দিন পর ধর্ষণ ও হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে।