ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,সবার দেশ পত্রিকার সৌজন্যে,শনিবার ২৩ মে ২০২৬ || জ্যৈষ্ঠ ৯ ১৪৩৩ || ৬ জিলহজ ১৪৪৭ হিজরি :
বর্তমান সরকারের স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম-এর আনা অভিযোগের জবাবে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি দাবি করেছেন, কোন ফাইলে অনিয়ম হয়েছে তা সুনির্দিষ্টভাবে জনগণের সামনে প্রকাশ করা হোক।
Advertisement
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————
শনিবার (২৩ মে) সন্ধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে লাইভে এসে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত বক্তব্য দেন।
লাইভে আসিফ মাহমুদ বলেন, প্রতিমন্ত্রী যে অভিযোগ করেছেন সেটির স্পষ্ট ব্যাখ্যা জনগণের সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন। তিনি বলেন,
যে ফাইল নিয়ে অভিযোগ আনা হয়েছে সেটি উন্মুক্ত করে দেয়া হোক। যদি কোনও অনিয়ম হয়ে থাকে, জনগণের তা জানার পূর্ণ অধিকার রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কোনও সচিব বিদেশ সফরে থাকলে বা অন্য কোনও কারণে দায়িত্ব পালনে অনুপস্থিত থাকলে প্রশাসনিক নিয়ম অনুযায়ী জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অতিরিক্ত সচিবকে দায়িত্ব দেয়া হয়ে থাকে। আর এ ধরনের সিদ্ধান্ত মন্ত্রী বা উপদেষ্টার অনুমোদনক্রমেই কার্যকর হয়। সুতরাং এমন কিছু হয়ে থাকলেও সেটি আইনের ব্যত্যয় নয় বলেই দাবি করেন তিনি।
এর আগে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে একটি প্রকল্পে সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সচিবের স্বাক্ষর ছাড়াই ফাইল অনুমোদন করেছেন।
একই সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত স্থানীয় সরকার বিভাগ ও এর অধীনস্থ বিভিন্ন কমিটির কর্মকাণ্ড তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আওয়ামী লীগ সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার প্রকল্প ও আর্থিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করে ৬০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
পিরোজপুরের উন্নয়ন প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরে মীর শাহে আলম বলেন, সেখানে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরও বাস্তবে কোনও কাজ না করেই প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। এসব অনিয়মের কারণেই গত দুই বছর ধরে জেলার বহু উন্নয়ন প্রকল্প কার্যত বন্ধ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
Advertisement

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, খুব শিগগিরই পিরোজপুরে সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে বন্ধ প্রকল্পগুলো পুনরায় চালুর বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে। পাশাপাশি দেশের অন্যান্য জেলাতেও রাস্তা ও সেতু নির্মাণসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করা হবে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

ছবি: সংগৃহীত


