(ভিডিও) ঈদের দিন প্রধানমন্ত্রী প্রথম আলোর প্রতিবেদন পাঠিয়ে তনু হত্যা মামলার অগ্রগতি জানতে চান: আইনমন্ত্রী

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ  ২৪.ম,বিশেষ প্রতিনিধি, শনিবার   ০২ মে ২০২৬ ||  বৈশাখ ১৯ ১৪৩৩ || ১৪ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি :

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিপ্রায়ে ১০ বছর পর সোহাগী জাহান তনু হত্যার জট খুলতে শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

Advertisement

অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

আইনমন্ত্রী বলেন, এবারের ঈদের দিন সকালে তাঁর মুঠোফোনে প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদন পাঠিয়ে তনু হত্যা মামলার অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

আজ শনিবার রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে আয়োজিত এক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।

ওই অনুষ্ঠানে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পদ্ধতিগত প্রতিবন্ধকতা এবং উক্ত প্রতিবন্ধকতাসমূহ নিরসনের কার্যকর উপায় চিহ্নিতকরণ’ শীর্ষক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ও ব্র্যাকের যৌথ উদ্যোগে গবেষণাটি চালানো হয়েছে।

অনুষ্ঠানে একজন আইনমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান, তনু হত্যার বিচার যেন হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় আইনমন্ত্রী বলেন, গত ঈদের দিন সকালে তাঁর মুঠোফোনে প্রধানমন্ত্রী একটি খুদে বার্তা পাঠান; যেখানে প্রথম আলোর একটি প্রতিবেদনের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মামলার হালনাগাদ তথ্য জানাতে বলা হয়।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘ঈদের পর প্রথম অফিস খোলার দিনই এ বিষয়ে বিস্তারিত আপডেট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বসে আলোচনা করি।’

তনু হত্যা মামলার প্রসঙ্গে মো. আসাদুজ্জামান আরও বলেন, দীর্ঘ ১০ বছর পর এ মামলার জট খুলতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

‘অন্ধকার থেকে আলোয়’ তনু হত্যা মামলা, মৃত্যুর আগে বিচার দেখতে চান মা-বাবা

অনুষ্ঠান শেষে তনু হত্যা মামলার অগ্রগতি নিয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন। জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘গত ১০ বছরে যে কাজগুলো করা সম্ভব হয়নি, সেগুলোর মধ্যে অনেকগুলোই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা এই দুই মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিয়েছি। তবে বিষয়টি এখনো পর্যন্ত আইন মন্ত্রণালয়ের কোনো নির্দিষ্ট আওতাভুক্ত বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। তাই এটি বর্তমানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এখতিয়ারভুক্ত একটি বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘অন্য দুইজনের বিষয়ে আইন যে নির্দেশনা বা ব্যাখ্যা প্রদান করেছে, আমরা সেই আইনি নির্দেশনার আলোকে আমাদের সদিচ্ছা ও অবস্থান যথাযথভাবে প্রকাশ করব।’

২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে আর বাসায় ফেরেননি তনু। পরে খোঁজাখুঁজি করে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে ঝোপের মধ্যে তনুর লাশ পাওয়া যায়।

Advertisement

পরদিন তনুর বাবা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের অফিস সহায়ক (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) ইয়ার হোসেনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা করেন।

গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে, ২ মে ২০২৬ছবি: প্রথম আলো