(ভিডিও্)পাবনায় ঈশ্বরদী দাদি-নাতনিকে হত্যায় দুইজন আটক

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ  ২৪.ম,পাবনার ঈশ্বরদী প্রতিনিধি,শনিবার   ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||  ফাল্গুন ১৫ ১৪৩২ || ১০ রমজান ১৪৪৭ হিজরি :

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় দাদিকে হত্যার পর নাতনিকে অপহরণ করে হত্যার ঘটনায় জড়িত অভিযোগে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে এখনো হত্যার রহস্য উদ্ঘটান করা যায়নি।

Advertisement

অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

 

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাদের আটক করে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ। ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার আটকের তথ্য জানিয়েছেন।

 

আটকরা হলেন, ঈশ্বরদী উপজেলার ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামের নুরুল মন্ডলের ছেলে রাব্বি মন্ডল এবং মফেজ্জল হোসেনের ছেলে শরিফুল ইসলাম। তাদের পুলিশি হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ ধারণা করছে, কিশোরীকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছে।

 

নিহত নাতনি জামিলা খাতুন উপজেলার কালিকাপুর দাখিল মাদ্রাসা দশম শ্রেণীর ছাত্রী ও হাফেজা ছিল। দাদি ও নাতনি একই বাড়িতে থাকত। ওই বাড়িতে কোনো পুরুষ মানুষ ছিল না।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতের পর এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে তাদের লাশ পৃথক স্থানে পাওয়া যায়।

 

নিহতরা হলেন, ভবানীপুর উত্তরপাড়ার মৃত নাজিমুদ্দিন খাঁর স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৭০) এবং তার নাতনি জামিলা খাতুন (১৫)। জামিলার বাবা নাম জয়নাল খাঁ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে কান্নাকাটির শব্দ শুনে স্থানীয়রা বাইরে বের হলেও কিছুক্ষণ পর শব্দ থেমে গেলে সবাই নিজ নিজ বাড়িতে ফিরে যায়। সকালে বাড়ির উঠানে সুফিয়া বেগমের রক্তাক্ত লাশ দেখতে পান স্বজনরা। তখন জামিলাকে খুঁজে না পেয়ে চারদিকে অনুসন্ধান শুরু হয়। পরে বাড়ি থেকে কিছু দূরের সরিষা ক্ষেতে বিবস্ত্র অবস্থায় তার লাশ পড়ে থাকতে দেখে এলাকাবাসী। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি ও লাশ উদ্ধার করে।

 

এ ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে র‍্যাব, পুলিশ, ডিবি, সিআইডি, ডিএসবিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তদন্তে নামে।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, “ঘটনাটি স্পর্শকাতর। আমরা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছি। হত্যার কারণ ও জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে। আশা করছি, দ্রুত হত্যার রহস্য উদঘাটন হবে।’’

Advertisement

প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

 

দাদি-নাতনি হত্যাকাণ্ডের পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্বজন ও প্রতিবেশীরা কেউ বলতে পারছে না, কী কারণে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তবে সবাই জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানিয়েছেন।

নিহত জামিলা খাতুন।