(ভিডিও)কোনো দিন হয়তো শুনতে হবে জামায়াত স্বাধীনতার পক্ষে যুদ্ধ করেছিল: সালাহউদ্দিন

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.ম,কক্সবাজারের চকরিয়া প্রতিনিধি,বুধবার   ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ||  মাঘ ২১ ১৪৩২ :

তিনি বলেছেন, “দেশে নতুন করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃত করার অপচেষ্টা চলছে। যে রাজনৈতিক দল একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, সেই দলই আজ মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করছে; যা জাতির সঙ্গে প্রতারণার শামিল।”

Advertisement

অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

 

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের জঙ্গলকাটা এলাকায় নির্বাচনি পথসভায় সালাহউদ্দিন আহমদ এসব কথা বলেন।

 

তিনি বলেন, “সম্প্রতি জামায়াতের আমির বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য উপস্থাপন করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি, বরং কর্নেল অলি আহমদ দিয়েছেন; যা সম্পূর্ণ ইতিহাসবিরোধী।”

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “যারা একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল, তারাই আজ ইতিহাস বিকৃত করবে—এটাই স্বাভাবিক। তবে দেশের মানুষ সব জানে। তারা বুঝে, নতুন করে নিজেদেরকে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা আসলে ভণ্ডামি ছাড়া কিছু নয়।”

 

বিএনপির এই নেতা বলেন, “জামায়াত ইসলাম একজন মুক্তিযোদ্ধাকে দলে যুক্ত করে কার্যত ‘ভাড়া’ করে একটি সাইনবোর্ড দেখাতে চাইছে—যেন তাদেরও মুক্তিযোদ্ধা আছে। সেই মুক্তিযোদ্ধাকে ব্যবহার করে তারা নিজেদের স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি প্রমাণ করতে চায়। কিন্তু দেশের প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা এটা কখনোই মেনে নেবে না।”

তিনি বলেন, “ইতিহাস বিকৃতির বিরুদ্ধে দেশপ্রেমিক ও স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি প্রতিবাদে সোচ্চার হবে। রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমাদের দায়িত্ব—যারা ইতিহাস নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ায়, মিথ্যা প্রচার চালায়, তাদের বিরুদ্ধে শালীন কিন্তু দৃঢ় ভাষায় প্রতিবাদ জানানো।”

Advertisement

প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

 

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “সম্প্রতি জামায়াত কর্মজীবী নারীদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন। কর্মজীবী নারীদের পতিতাদের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে এবং নারীদের কর্মঘণ্টা কমিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বাস্তবে এটি নারীদের কল্যাণ নয়, বরং নারীদের কর্মসংস্থান ধ্বংসের একটি পরিকল্পনা।”