(ভিডিও) হাসপাতালে নিয়ে গৃহবধূকে ‘দলবদ্ধ ধর্ষণ’, ২ আনসার সদস্য আটক

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.ম,মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি,সোমবার   ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ||  পৌষ ২৮ ১৪৩২ :

মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালে এক নারীকে আটকে রেখে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে সেখানে কর্মরত দুই আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে। রোববার (১১ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ৩টার দিকে হাসপাতালের নতুন ভবনের দ্বিতীয় তলায় এই পাশবিক ঘটনা ঘটে।

এই ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত দুই আনসার সদস্যকে আটক করেছে সদর থানা পুলিশ। আটককৃতরা হলেন- শাহাদাৎ হোসেন ও আবু সাঈদ।

Advertisement


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার রাতে ওই নারী তাঁর স্বামীর সঙ্গে নারায়ণগঞ্জ থেকে একটি চার্জিং ভ্যানে করে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বেতিলা এলাকায় নানাশ্বশুর বাড়ি যাচ্ছিলেন। রাত ৩টার দিকে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে তাঁদের ভ্যানটির চার্জ শেষ হয়ে যায়। নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে তাঁরা সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।


ভুক্তভোগীর স্বামী জানান, হাসপাতালের গেটে দায়িত্ব পালনরত আনসার সদস্য শাহাদাৎ ও আবু সাঈদ তাঁদের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে হাসপাতালের ভেতরে নিয়ে যান। জিজ্ঞাসাবাদের নামে হাসপাতালের নতুন ভবনের নিচতলায় স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে কৌশলে দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাণনাশের ভয়ভীতি দেখিয়ে দুই আনসার সদস্য ওই নারীকে পর্যায়ক্রমে ধর্ষণ করেন।

Advertisement


নির্যাতনের শিকার ওই নারী নিচতলায় নেমে তাঁর স্বামীকে বিস্তারিত জানালে তাঁরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় দ্রুত সদর থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন। অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ হাসপাতালে অভিযানে যায়। পুলিশ সেখানে দায়িত্বরত সকল আনসার সদস্যদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড়া করালে ভুক্তভোগী নারী অভিযুক্ত দুইজনকে শনাক্ত করেন। এরপর পুলিশ তাঁদের আটক করে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়।

মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. বাহার উদ্দিন জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক। আনসার সদস্যদের ডেকে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Advertisement


মানিকগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. সানওয়ার আলম গণমাধ্যমকে জানান, “বাদীর অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছি। অভিযুক্ত দুই আনসার সদস্যকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”