ঝগড়ার জেরে পেট্রোল ঢেলে নিজেসহ ৫ জনের গায়ে আগুন দিলেন প্রবাসী

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম ,রাজধানীর সূত্রাপুর  প্রতিনিধি, শনিবার,১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬,৪ আশ্বিন ১৪৩৩০৭ রবিউস সানি ১৪৪৮ :

রাজধানীর সূত্রাপুরে পারিবারিক বিষয় নিয়ে ঝগড়ার জেরে পেট্রোল ঢেলে নিজেসহ ৫ জনের গায়ে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সূত্রাপুরের শ্যামবাজার চামাকটুলি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় এক নারীসহ ৫ জনকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।

  • Advertisement

  • আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫,০১৮০৬৬৭৬৬৬৩

দগ্ধরা হলেন- শ্যামবাজার চামাকটুলি এলাকার সিদ্দিক বেপারী (৬০), তার ছেলে মো. ইমন (২৬), ভাতিজা রাজিব (৩৮), ভাগ্নে আরিফুর রহমান ধলু (৩৫) ও ভাগ্নি তানিয়া আক্তার (২০)।

দগ্ধ আরিফুর রহমার ধলুর স্ত্রী সোনিয়া আক্তার জানান, শ্যামবাজার চামাকটুলি এলাকায় তাদের পৈতৃক সম্পত্তি রয়েছে। দগ্ধরা প্রত্যেকেই পাশাপাশি বাড়িতে থাকেন। এরমধ্যে ইমন সৌদি আরব প্রবাসী। এ ছাড়া রাজিব ন্যাশনাল হাসপাতালে মেকানিকের কাজ করেন, ধলু ইলেকট্রিক মিস্ত্রী ও তানিয়া পুরান ঢাকার উইমেন্স কলেজে অনার্সে অধ্যয়নরত।

সোনিয়া আক্তার জানান, শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ইমনের বোন সুলতানা বাসার সামনে ময়লা পানি জমে রাখেন। ওই সময় বিষয়টি দেখে তানিয়া পানি পরিষ্কার করতে বলেন। পরে এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে সুলতানা সৌদি আরব প্রবাসী ভাই ইমনকে বিষয়টি জানায়। এরমধ্যেই শুক্রবার ইমন দেশে চলে আসে। সবশেষ শনিবার বিকেলে ইমন সবাইকে হুমকি দিয়ে বলে— আমিও মরব, তোদেরকেও মারব। এই বলে সে নিজের গায়ে পেট্রোল ঢালে এবং বাকিদের শরীরেও পেট্রোল ছিটিয়ে দিয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে সবাই দগ্ধ হয়। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসে।

  • Advertisement

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ জানান, সূত্রাপুর এলাকা থেকে পাঁচজন দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে এসেছে। তাদের মধ্যে সিদ্দিকের শরীরের ৩৫ শতাংশ, ইমনের ৯০ শতাংশ, রাজিবের ১৫ শতাংশ, আরিফের ৮ শতাংশ ও তানিয়ার ৬০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। বর্তমানে সবাইকে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।