ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,আস্তর্জাতিক প্রতিনিধি,সোমবার ২৭ এপ্রিল ২০২৬ || বৈশাখ ১৪ ১৪৩৩ || ৯ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি :
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অচলাবস্থা কাটাতে নতুন একটি প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। তেহরান জানিয়েছে, তারা যুদ্ধের সমাপ্তি ও হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করতে প্রস্তুত, তবে পারমাণবিক কর্মসূচি সংক্রান্ত আলোচনা আপাতত স্থগিত রাখতে চায়।
Advertisement
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————
সোমবার (২৭ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে। খবর রুশ সংবাদমাধ্যম আরটির।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মার্কিন কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত আরো দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি সম্প্রতি ইসলামাবাদ সফরকালে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর (পাকিস্তান, মিশর, তুরস্ক এবং কাতার) কাছে এই নতুন পরিকল্পনা তুলে ধরেন। আরাঘচি স্বীকার করেছেন যে, ওয়াশিংটনের পারমাণবিক দাবিগুলো কীভাবে মোকাবিলা করা হবে, তা নিয়ে ইরানের অভ্যন্তরীণ নেতৃত্বের মধ্যে এখনো কোনো সুনির্দিষ্ট ঐকমত্য পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।
পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হোয়াইট হাউজে পাঠানো নতুন প্রস্তাবে তিন ধাপের একটি রূপরেখা দেওয়া হয়েছে। প্রথমত: ইরান ও লেবাননের ওপর পুনরায় কোনো হামলা হবে না- এমন আইনি ও আন্তর্জাতিক নিশ্চয়তা প্রদান ও যুদ্ধের অবসান। দ্বিতীয়ত: ওমানের সঙ্গে সমন্বয় করে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক জলপথ হরমুজ প্রণালি পরিচালনার জন্য নতুন আইনি কাঠামো তৈরি এবং মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার।
এই দুটি ধাপ সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর তৃতীয় ধাপে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা শুরু করা।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ছিল, ইরানকে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে এবং সব সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করতে হবে। তবে ইরানের সাম্প্রতিক প্রস্তাবে এই বিষয়টি আলোচনার একেবারে শেষে রাখা হয়েছে।
Advertisement

তেহরান বরাবরই বলে আসছে যে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ, কিন্তু ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র তা মানতে নারাজ। এই নতুন প্রস্তাবটি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনবে নাকি আলোচনার টেবিল থেকে ওয়াশিংটনকে সরিয়ে দেবে, তা এখন দেখার বিষয়।



