(ভিডিও)হাদি হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সাল ও আলমগীরকে হেফাজতে নিল এনআইএ

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ  ২৪.ম,আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি ,মঙ্গলবার   ২৪ মার্চ ২০২৬ ||  চৈত্র ১১ ১৪৩২ || ৪ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি :

বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে ভারতের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ। রবিবার বিধাননগর মহকুমা আদালতের বিচারক ভারতৈ তাদেরকে জেরা করার অনুমতি দিয়েছিল।

Advertisement

অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

 

তবে সোমবার এনআইএ বিধাননগর মহকুমা আদালতে ফয়সাল করিম ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে হেফাজতে নেয়ার আবেদন করে। এই আবেদনের শুনানির সময় দুই অভিযুক্তকে ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করা হয়েছিল। বিচারক এনআইএ-র আবেদন মঞ্জুর করেন। ট্রানজিট রিমান্ডে ফয়সাল করিম ও আলমগীর হোসেনকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ারও অনুমতি দিয়েছিল বিচারক। সোমবার রাতেই তাদের দমদম সেন্ট্রাল জেল থেকে নিজেদের হেফাজতের নেয় এনআইএ। রাতের বিমানেই তাদের দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়।

 

আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে, হেফাজতে নেয়া দুই অভিযুক্তকে আজ মঙ্গলবার দিল্লিতে এনআইএ-র আদালতে হাজির করা হবে। এরপরই নতুন করে দুই জনকে জেরা করা হবে। তবে এনআইএ ভারতে গ্রেপ্তার হাদি হত্যায় জড়িত তৃতীয় বাংলাদেশি নাগরিক ফিলিপ সাংমাকে হেফাজতে নেয়ার আবেদন করেনি বলে সরকারি আইনজীবীদের সূত্রে জানা গেছে।

 

রবিবার বিচারক ফয়সাল করিম ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ১২ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজত দিয়েছিলেন। তবে রবিবার আদালত প্রাঙ্গণে প্রবেশ ও প্রস্থানের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ফায়সাল হাদি হত্যায় যুক্ত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ফয়সাল আরও দাবি করেন, তিনি হাদিকে খুন করেনি। এরপর সাংবাদিকরা সিসিটিভি ফুটেজে তাকেই দেখা গেছে বলে জানালে হাদি হত্যার অন্যতম এই অভিযুক্ত বলেন, “সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়নি যে, আমি গুলি করেছি। আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না।”

 

তবে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসটিএফের দেয়া বিবৃতি অনুযায়ী, গত ৭ মার্চ মধ্যরাতে ফয়সাল এবং আলমগীরকে বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ থেকে গ্রেপ্তারের পর জেরায় তারা হাদি হত্যার সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছিল।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি ঢাকার পুরানা পল্টন এলাকায় মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি সেখানে মারা যান।

Advertisement

প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

 

এরপর পুলিশি তদন্তে ফয়সাল করিমের নাম উঠে আসে। গত ৬ জানুয়ারি ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে গোয়েন্দা পুলিশ। অভিযোগপত্রে যাদের নাম এসেছে, তাদের মধ্যে ১২ জন বাংলাদেশে গ্রেপ্তার হন। আর প্রধান দুই আসামি ফয়সাল ও আলমগীর এবং তাদের পালাতে সহায়তায় অভিযুক্ত ফিলিপ সাংমা ভারতে গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে বিচারবিভাগীয় হেফাজত রয়েছে।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যার প্রধান দুই অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেন