ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি ,মঙ্গলবার ২৪ মার্চ ২০২৬ || চৈত্র ১১ ১৪৩২ || ৪ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি :
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সিনিয়র সামরিক উপদেষ্টা মোহসেন রেজাই বলেছেন, ইরান তার ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণ ক্ষতিপূরণ না পাওয়া পর্যন্ত এই যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে।
Advertisement
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————
মঙ্গলবার (২৪) মার্চ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন।
স্থানীয় সময় সোমবার (২৩ মার্চ) টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে রেজাই আরো বলেন, ‘সব অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও তেহরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মার্কিন হস্তক্ষেপ বন্ধে আইনগত বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক নিশ্চয়তা না পাওয়া পর্যন্ত’ ইরান লড়াই চালিয়ে যাবে।
রেজাই বলেন, “আমরা দেখছি আমাদের সশস্ত্র বাহিনী খুব শক্তির সঙ্গে তাদের অভিযান ও কার্যক্রম পরিচালনা করছে। নতুন নেতা নির্বাচনের মাধ্যমে নেতৃত্ব কাঠামোটি খুব দৃঢ়ভাবে তার নিয়ন্ত্রণে এসেছে।”
এই উপদেষ্টা দাবি করেন, “যুদ্ধ মূলত এক সপ্তাহ আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল’ এবং যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ থামাতে ও যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে প্রস্তুত ছিল। কিন্তু ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ‘যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ দিয়েছিলেন।”
রেজাই আরো দাবি করেন, যুদ্ধের ১৫তম দিন পার হওয়ার পর ‘‘যুক্তরাষ্ট্র স্পষ্টভাবে বুঝতে পেরেছে যে, এই যুদ্ধে তাদের জয়ের কোনো পথ নেই।”
এর আগে সোমবার পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে জানান, ইরানি জনগণ ‘আগ্রাসনকারীদের’ জন্য ‘সম্পূর্ণ এবং অনুশোচনামূলক শাস্তি’ দাবি করছে।
ইরানের ডেপুটি পার্লামেন্ট স্পিকার আলী নিকজাদের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইরানের আলোচনা করা উচিত নয়, কারণ ট্রাম্প নিজেকে একজন ‘মিথ্যাবাদী এবং সম্মানহীন’ ব্যক্তি হিসেবে প্রমাণ করেছেন।
যুদ্ধ বন্ধের নতুন আলোচনার পরস্পরবিরোধী খবরের মধ্যেই ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার এই মন্তব্য করলেন। ইরানি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজের বরাত দিয়ে কাতারের সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
আলী নিকজাদ বলেন, “ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান তার জনগণের সমর্থনে নিজের সামরিক সক্ষমতার ওপর শক্তভাবে দাঁড়িয়ে আছে। ট্রাম্প যদি সত্যি কথা বলে থাকেন, তাহলে তার জানানো উচিত তিনি কার সঙ্গে আলোচনা করেছেন।”
ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, ‘তার (ট্রাম্পের) হুমকিগুলো একটি বড় মিথ্যা।”
নিকজাদ উল্লেখ করেন, ২০২৫ সালের জুন এবং চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে আগের দুই দফা আলোচনার সময় যখন আলোচকরা যুদ্ধ এড়ানোর চুক্তিতে অগ্রগতির দিকে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর আক্রমণ চালিয়েছিল।
সোমবার ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর যেকোনো সামরিক হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিতের করার ঘোষণা দিয়েছেন ট্রাম্প। এরপরই তিনি দাবি করেন, ইরানের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমঝোতা হয়েছে।
তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষ যেকোনো আলোচনার খবর দ্রুত প্রত্যাখ্যান ও অস্বীকার করেছে।
ইরানের জাতীয় টেলিভিশন ও অন্যান্য সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ট্রাম্প এখন পিছিয়ে যাচ্ছেন কারণ তিনি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র বা গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালালে ইরানের পক্ষ থেকে যে প্রতিক্রিয়া আসবে, তার পরিণতির ভয় পাচ্ছেন।
Advertisement
প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

ওয়াশিংটনের প্রস্তাবগুলোকে ইরানিরা স্রেফ কৌশল বা সময়ক্ষেপণ হিসেবেও দেখছে। তারা মনে করছে আমেরিকানরা এই অঞ্চলে তাদের শক্তি বৃদ্ধি করছে, আরও সৈন্য পাঠাচ্ছে এবং ইরানের ওপর আরও বিধ্বংসী হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সিনিয়র সামরিক উপদেষ্টা মোহসেন রেজাই


