(ভিডিও)টেকনাফে মানব পাচারকারীদের গুলিতে প্রাণ গেল সেনাসদস্যের

SHARE

ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,কক্সবাজারের টেকনাফ প্রতিনিধি,শুক্রবার   ০৬ নভেম্বর ২০২৬ ||  কার্তিক ২২ ১৪৩৩ || ২৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি:

কক্সবাজারের টেকনাফে মানব পাচার চক্রের সদস্যদের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গোলাগুলিতে গুলিবিদ্ধ সেনাসদস্য মো. তিতাস শেখ (২৮) মারা গেছেন।

  • Advertisement

    • আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫,০১৮০৬৬৭৬৬৬৩

 

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাতে রামু ১০ পদাতিক ডিভিশনের সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

 

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) তথ্য অনুযায়ী, মানব পাচার চক্রের বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর অভিযান চলাকালে গুলিবিদ্ধ হন সেনাসদস্য তিতাস।

বৃহস্পতিবার বিকেলে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের রঙ্গিখালী এলাকার দুর্গম পাহাড়ে এ গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। অভিযানে মানব পাচারের শিকার ৫৭ জনকে উদ্ধার এবং অস্ত্রসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।

 

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান বলেন, পাহাড়ে যৌথ বাহিনীর অভিযান চলমান রয়েছে। অভিযান শেষ হলে বিস্তারিত জানা যাবে।

 

নিহত তিতাস শেখের বাড়ি ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার লস্করদিয়া গ্রামে। তার বাবার নাম আফজাল হোসেন। তিনি বিবাহিত ছিলেন। তিতাস টেকনাফের রঙ্গিখালী আর্মি ক্যাম্পে কর্মরত ছিলেন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে অভিযান চলাকালে সন্ত্রাসীদের ছোড়া গুলি তিতাসের বুকে লাগে। আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে টেকনাফের লেদা আইআরসি রোহিঙ্গা হাসপাতালে নেওয়া হয়।

 

অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে অ্যাম্বুলেন্সে করে রামু সিএমএইচে নেওয়া হয়। সেখানে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৮টা ৪৮ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

  • Advertisement

 

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে টেকনাফের বিভিন্ন পাহাড়ে দুই শতাধিক মানুষকে আটকে রেখেছিল একটি পাহাড়ি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। তাদের উদ্ধারে বৃহস্পতিবার বেলা দুইটা থেকে বিকেল ৫টা ২০ মিনিট পর্যন্ত যৌথ বাহিনী অভিযান চালায়। রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির ২৪ ও ২৬-এর মধ্যবর্তী কাঁটাতারের বেড়া থেকে ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার পশ্চিমের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি হয়।

টেকনাফের রঙ্গিখালী গ্রামের গহিন পাহাড়ে মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে যৌথবাহিনীর অভিযান।