(ভিডিও)উজিরপুরে যুবদল কর্মীকে হত্যা, অভিযুক্তদের বাড়িতে আগুন

SHARE

https://www.facebook.com/share/r/1Cw92oVhZo/

ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,বরিশালের উজিরপুর  প্রতিনিধি, রোববার,২৫ অক্টোবর ২০২৬,৯ কার্তিক ১৪৩৩১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮:

বরিশালের উজিরপুরে যুবদল কর্মী কাওসার হাওলাদারকে (৩৭) কুপিয়ে হত্যার ঘটনার পর দুই আসামির বাড়িতে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছেন বিক্ষুব্ধ জনতা। ঘটনার খবর পেয়ে উজিরপুর থানার ওসিসহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

  • Advertisement

  • আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫,০১৮০৬৬৭৬৬৬৩

 

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর উপজেলার সাতলা ইউনিয়নের আলামদী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

 

এর আগে, শুক্রবার রাতে উজিরপুর উপজেলার প্রত্যন্ত সাতলা ইউনিয়নের পশ্চিম সাতলা কান্দী সড়কের গোপালগঞ্জ-বরিশাল সীমান্ত এলাকায় কাওসার হাওলাদারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। একটি মাইক্রোবাসে করে আসা একদল দুর্বৃত্ত এ হামলা চালায়।

নিহত কাওসারের জানাজা শনিবার এশার নামাজের পর সম্পন্ন হয়। জানাজা শেষে ফেরার পথে আসামিদের বাড়িতে আগুন দেওয়ার খবর পান সাতলা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি কাইয়ুম ভাট্টি। তিনি বলেন, কাওসারের জানাজা শেষে ফেরার পথে জানতে পারেন, হত্যা মামলার দুই আসামির বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে আলামদী গ্রামের খালপাড় বড় সেতুসংলগ্ন এলাকায় মামলার এক নম্বর আসামি সজল মোল্লার বাড়ি রয়েছে। অন্য বাড়িটি তাঁর বড় ভাই নান্না মোল্লার। সন্ধ্যার পর কোনো এক সময় আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

এ ঘটনা প্রসঙ্গে উজিরপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুল ইসলাম আগুন দেওয়ার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। দুটি টিনের ঘরে আগুন দেওয়া হয়েছিল। সেখানে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি যাওয়ার সুযোগ নেই। ঘর দুটি পুড়ে যাওয়ার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে কারা আগুন দিয়েছে, তা এখনো শনাক্ত করা যায়নি।

 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে উজিরপুর উপজেলার প্রত্যন্ত সাতলা ইউনিয়নের পশ্চিম সাতলা কান্দী সড়কের গোপালগঞ্জ-বরিশাল সীমান্ত এলাকায় কাওসার হাওলাদারকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তাঁর ভাই মোস্তফা বাদী হয়ে সজল মোল্লাকে প্রধান আসামি করে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ মাইক্রোবাসসহ নয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

উজিরপুর মডেল থানা