(ভিডিও)সাগর-রুনি হ/ত্যায় জড়িতদের সনাক্ত

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,বিশেষ প্রতিনিধি ,বুধবার,২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,৮ আশ্বিন ১৪৩৩১১ রবিউস সানি ১৪৪৮ :

২০১২ সালের সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ড মামলার তদন্তে দীর্ঘ ১৪ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও কোনো চূড়ান্ত বা নিশ্চিত আসামিকে সনাক্ত করে আদালতে চার্জশিট দেওয়া সম্ভব হয়নি। তবে মামলার তদন্ত প্রক্রিয়ায় অতি সম্প্রতি বড় ধরনের কিছু নতুন মোড় এসেছে। 
  • Advertisement

  • আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫,০১৮০৬৬৭৬৬৬৩

সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং সনাক্তকরণ প্রক্রিয়ার আপডেটগুলো নিচে দেওয়া হলো:
১. নতুন ক্লু ও ‘সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বে’র সম্পৃক্ততা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (ICT) চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম ২০২৬ সালের আগস্টের শেষে জানান যে, অন্য একটি মামলার কল ডিটেইলস রেকর্ড (CDR) পর্যালোচনা করার সময় সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের একটি নতুন সূত্র বা ক্লু পাওয়া গেছে। সেখানে একজন প্রভাবশালী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং একজন সাবেক সামরিক কর্মকর্তার সম্পৃক্ততার প্রাথমিক আভাস মিলেছে। আইনগত স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থা এখনও তাদের নাম জনসমক্ষে প্রকাশ করেনি এবং প্রাপ্ত তথ্যগুলো বর্তমানে গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। 

২. তদন্তের বর্তমান দায়িত্ব (টাস্কফোর্স ও PBI)

দীর্ঘ ১২ বছর ধরে র‍্যাব (RAB) এই মামলার তদন্তভার নিজেদের কাছে রাখলেও তারা ১১১ বার সময় বাড়িয়েও কোনো কূলকিনারা করতে পারেনি। পরবর্তীতে, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে হাইকোর্টের নির্দেশে র‍্যাবকে তদন্ত থেকে সরিয়ে দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠন করা হয়, যার প্রধান হিসেবে কাজ করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (PBI)। ২০২৬ সালের এপ্রিল মাসে হাইকোর্ট এই টাস্কফোর্সকে তদন্ত শেষ করার জন্য আরও ৬ মাস সময় বাড়িয়েছে। 

৩. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আবেদন

২০২৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সাগর-রুনির পরিবার (রুনির ভাই নওশের আলম রোমান) প্রকৃত হত্যাকারীদের সনাক্ত ও বিচারের দাবিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছেন। ট্রাইব্যুনাল বর্তমানে খতিয়ে দেখছে এই ব্যক্তিগত ও একক হত্যাকাণ্ডটি তাদের আইনি এক্তিয়ার বা আওতাভুক্ত কি না। 

৪. পূর্বের সন্দেহভাজনদের অবস্থা

২০১২ সালে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৮ জন সন্দেহভাজনের নাম প্রকাশ করেছিলেন (যার মধ্যে রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু প্রমুখ অন্যতম)। তাদের কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল, কিন্তু পরবর্তীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো ডিএনএ (DNA) পরীক্ষার ফলাফল অস্পষ্ট এবং অমীমাংসিত আসায় তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত কোনো প্রমাণ মেলেনি। 
  • Advertisement

সংক্ষেপে, এখন পর্যন্ত আইনগতভাবে কোনো নির্দিষ্ট হত্যাকারীকে সুনির্দিষ্টভাবে দোষী সাব্যস্ত বা সনাক্ত করে মামলা শেষ করা যায়নি, তবে টাস্কফোর্সের অধীনে পিবিআই এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নতুন প্রাপ্ত সূত্র ধরে তদন্তের কাজ চলমান রয়েছে। 

এই মামলা বা তদন্তের সুনির্দিষ্ট কোনো আইনি নথি কিংবা পূর্ববর্তী সন্দেহভাজনদের তালিকা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান?