(ভিডিও)জে.জিয়াউলের গ্রামের বাড়ি থেকে সাগর রুনি হ/ত্যার ডিজিটাল আলামত ও নি/খোঁজ ডিস্কের রহস্য

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,বিশেষ প্রতিনিধি, রোববার,৩০ আগস্ট ২০২৬,১৪ ভাদ্র ১৪৩৩১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮:

২০১২ সালের আলোচিত সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলায় বিতর্কিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও এনটিএমসি-র সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (বহিষ্কৃত) জিয়াউল আহসানের সম্পৃক্ততা, তাঁর গ্রামের বাড়ি থেকে ডিজিটাল আলামত উদ্ধার এবং নিখোঁজ ডিস্ক নিয়ে বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর তথ্য ও দাবি সামনে এসেছে। 
এই বিষয়টির প্রধান প্রধান দিকগুলো নিচে সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
১. ডিজিটাল আলামত ও প্রাথমিক স্বীকারোক্তি
  • জিজ্ঞাসাবাদ ও স্বীকারোক্তি: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন এবং তদন্ত সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ডিজিটাল জিজ্ঞাসাবাদ এবং আইনি প্রক্রিয়ার একপর্যায়ে জিয়াউল আহসান এই ঘটনার সাথে তাঁর কোনো না কোনোভাবে সম্পৃক্ত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন। 
  • আলামত হস্তান্তর: তাঁর কাছ থেকে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল আলামত ও প্রাথমিক তথ্যপ্রমাণাদি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং তদন্তকারী কর্মকর্তাদের কাছে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে। 
২. গ্রামের বাড়ি ও নিখোঁজ ডিস্কের রহস্য
  • গোপন নথির খোঁজ: বিভিন্ন গণমাধ্যম ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে (যেমন— ডেইলি আমার দেশ-এর বিশেষ প্রতিবেদন) দাবি করা হয়েছে যে, সাগর-রুনির হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ ছিল তাদের কাছে থাকা কিছু অত্যন্ত স্পর্শকাতর তথ্য বা তথ্যচিত্র। 
  • ডিস্ক বা ডেটা স্টোরেজ: ধারণা করা হয়, হত্যাকাণ্ডের সময় ঘর থেকে যে ল্যাপটপ বা ডেটা ডিস্কটি নিখোঁজ হয়েছিল, সেটি পরবর্তীতে প্রভাবশালীদের নির্দেশে বা নিজস্ব নজরদারির অংশ হিসেবে জিয়াউল আহসানের নিয়ন্ত্রণে যায়। এই মূল্যবান ডিজিটাল আলামত বা মেমোরি ডিস্কটি তাঁর গ্রামের বাড়িতে বা কোনো গোপন আস্তানায় লুকিয়ে রাখা হয়েছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। 
৩. র‍্যাবের গোয়েন্দা শাখার ভূমিকা ও নতুন তদন্ত
  • পূর্ব তথ্য থাকার অভিযোগ: ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনের দাবি অনুযায়ী, সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের আগে থেকেই তৎকালীন র‍্যাবের শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তারা (যার মধ্যে জিয়াউল আহসান অন্যতম নীতি-নির্ধারক ছিলেন) জানতেন যে সেখানে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে। 
  • টাস্কফোর্স ও পিবিআই-এর জেরা: দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ১2৯ বার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় পেছানোর পর, মামলাটি পিবিআই-এর নেতৃত্বাধীন উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্সের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই টাস্কফোর্স ইতিমধ্যেই ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলগেটে গিয়ে জিয়াউল আহসানকে এই নিখোঁজ নথিপত্র ও ডিজিটাল আলামতের বিষয়ে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। 
  • Advertisement

তদন্ত কর্মকর্তাদের মতে, এই নিখোঁজ ডিস্ক এবং উদ্ধার হওয়া ডিজিটাল আলামতগুলোর ফরেনসিক পরীক্ষা সম্পন্ন হলে দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে ঝুলে থাকা এই লোমহর্ষক হত্যাকাণ্ডের মূল কুশীলব ও নেপথ্যের কারণ পুরোপুরি উন্মোচিত হতে পারে