(ভিডিও)সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ পেছাল ১২৯ বার

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,বিশেষ  প্রতিনিধি, শনিবার,২৯ আগস্ট ২০২৬,১৩ ভাদ্র ১৪৩৩১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪৮:

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় আবারও পিছিয়েছে। উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হলেও নির্ধারিত দিনে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি তদন্ত সংস্থা। ফলে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত।

Advertisement

  • আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫,০১৮০৬৬৭৬৬৬৩

বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর হাকিম আরিফুল ইসলামের আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় আদালত আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর নতুন দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে বহুল আলোচিত এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় ১২৯ বার পেছাল।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের ভাড়া বাসায় মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। সে সময় ক্ষমতায় ছিল আওয়ামী লীগ সরকার।

এ ঘটনায় নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলায় রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাসার দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনাময়েত আহমেদ এবং তাঁদের বন্ধু তানভীর রহমান খানকে আসামি করা হয়। তাঁদের মধ্যে তানভীর রহমান খান জামিনে রয়েছেন। জামিনে গিয়ে পলাশ রুদ্র পাল পলাতক রয়েছেন। অন্য আসামিরা কারাগারে রয়েছেন।

মামলার তদন্ত প্রথমে শেরেবাংলা নগর থানার এক উপপরিদর্শকের (এসআই) কাছে ছিল। হত্যাকাণ্ডের চার দিন পর তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসের বেশি সময় তদন্ত করেও ডিবি হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি।

Advertisement

পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল মামলাটির তদন্তভার র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) কাছে দেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও হত্যাকাণ্ডের রহস্যের কোনো চূড়ান্ত সুরাহা হয়নি। সম্প্রতি মামলাটির তদন্তে উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি গঠন করা হয়েছে।