(ভিডিও)গুলশানে স্পা’র অন্তরালে”বাহারের”পাপের রাজ্য নারী ফাঁদে বিত্তবানরা এক ছাদেই সব নিষিদ্ধ সেবা

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ৪.কম,গুলশান প্রতিনিধি ,মঙ্গলবার,০৪ আগস্ট ২০২৬,২০ শ্রাবণ ১৪৩৩২০ সফর ১৪৪৮ :

রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান  যেখানে আভিজাত্যের আড়ালে জেঁকে বসেছে এক অন্ধকার জগতের ব্যবসা।স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকাগুলোতে সামাজিক নিরাপত্তার বলয় ভেঙে অত্যন্ত ভয়াবহ ভাবে গড়ে ওঠা স্পা প্রতিষ্ঠান এখন কার্যত খোলামেলা স্বীকৃত যৌনপল্লীতে পরিণত হয়েছে।বডি ম্যাসাজ ‘স্পা সেন্টার’ কিংবা ‘থেরাপি সেন্টার’-এর নাম ব্যবহার করে ভেতরে পরিচালিত হচ্ছে রমরমা দেহব্যবসা।এসব প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা যায়,প্রতিষ্ঠানগুলোতে মাদক কারবার এবং উঠতি বয়সের নারী দিয়ে ভয়ংকর ব্ল্যাকমেইলিংয়ের  ফাঁদে ফেলে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার মতো ঘটনা হয়ে থাকে ।নানা কৌশলে পরিচালিত স্পা সেন্টারগুলোতে নারীসঙ্গ অথবা মাদক সেবন- তাও আবার নিরাপদে! সবকিছুই মিলবে একই ছাদের নিচে।

  • Advertisement

  • অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
    ——————————-
    আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫,০১৮০৬৬৭৬৬৬৩

বিভিন্ন বয়সি পছন্দমাফিক নারীসঙ্গের পাশাপাশি ইয়াবা,হেরোইন, দেশি-বিদেশি মদ, আইস, সিসাসহ সব ধরনের মাদক নাকি  হাত বাড়ালেই পাওয়া যাচ্ছে।
‎সার্বক্ষণিক এক ছাদের নিচে সহজে মেলা সব ধরনের ‘নিষিদ্ধ’ আনন্দ সেবার সুযোগ পেয়ে খদ্দের এর আনাগোনা আগের চেয়ে আরো কয়েকগুণ বেড়েছে।তাদের চাহিদা অনুযায়ী নানা বয়সের নারীর সঙ্গ থেকে শুরু করে সব ধরনের মাদক-সবই মিলছে হরহামেশা এসব স্পা সেন্টারে।সংবাদ সূত্র বলছে ইয়াবা, হেরোইন, বিদেশি মদ থেকে শুরু করে ভয়ংকর মাদক আইস ও সিসার ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন থাকে এসব আস্তানাগুলো।সিটি কর্পোরেশন থেকে থেরাপি সেন্টারের লাইসেন্স নিলেও বাস্তবে সেখানে চলছে অনৈতিক কর্মকাণ্ড। উঠতি বয়সের বিত্তবান সন্তান থেকে শুরু করে প্রভাবশালী অনেক ব্যক্তিই এসব সেন্টারের আকৃষ্টকরণ ফাদে পড়ে নিয়মিত খদ্দের হিসেবে অবৈধ মনোবাঞ্ছনা পূরণ করে থাকে। আর এমন নিষিদ্ধ সব সেবার ঝুড়ি নিয়ে গুলশান-২ এর ৯৯ নং সড়কের ৩৩/এ নম্বর বাড়ি’র লিপ্ট এর ৬ তলায় গড়ে উঠেছে একটি অবৈধ নারী ব্যবসার আখড়াখানা।জানা যায়,প্রতিষ্ঠানটি’র মালিক বাহার উদ্দিন (বাহার) তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভবনটিতে এভাবেই নারী দিয়ে তার পতিতা ব্যবসা পরিচালনা করছেন।এক সূত্র বলছে,এতো দিন বাহার ক্ষুদ্র পরিসরে তার ব্যবসা কার্যক্রম পরিচালনা করলেও নতুন সরকার ক্ষমতায় আসায় তিনি এক ফ্লোর বাড়িয়ে ব্যবসা আরো প্রসারিত করেছেন।ইতিমধ্যেই তিনি নাকি নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনার সুবিধা নিতে একটি রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি সংবাদ কর্মী পরিচয় দিয়ে তার নারী ব্যবসা পরিচালনার চেষ্টা করছেন।

‎পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে বাহারের নিয়ন্ত্রিত  স্পা সেন্টারের আড়ালে এভাবেই চলছে অপ্রতিরোধ্য দেহব্যবসা ও  মাদক বাণিজ্যের মতো জমকালো পতিতা কারবার। গুলশানের মতো অভিজাত এলাকায় যেভাবে বাহারের স্পা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলে  নিষিদ্ধ নারী ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে তাতে মনে হয় অসামাজিক কার্যকলাপ বৈধতার স্বীকৃতি পেতে যাচ্ছে। মূল কথা হচ্ছে, আইনবহির্ভূত এসব কর্মকাণ্ড নির্মূল করা যাদের গুরু দায়িত্ব তারা কি?  চান এসব ব্যবসা নির্মূল হোক।যদি চান তাহলে তাদের নাকের ডগায় বাহারের মতো লোক দীর্ঘদিন ধরে এক জায়গায় এমন ব্যবসা কিভাবে পরিচালনা করছেন।হয়তো যাদের উপর নির্মূল দায় বর্তায় তারাই চাননা এসব ব্যবসা নির্মূল হোক।যার ফলে বাহার উদ্দিন (বাহারের) মতো অবৈধ ব্যবসা পরিচালনা করা ব্যক্তিরা নির্ভয়ে এমন অবাধ ব্যবসা পরিচালনার নিরাপদ সুযোগ পাচ্ছেন।

  • Advertisement


‎বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে এসব নিষিদ্ধ কার্যক্রম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হলে প্রসাশন মাঝেমধ্যে লোক দেখানো ধরপাকড় করে তাদের দায়সারা দায়িত্ব পরিচালনা করেন বলে পুলিশের নিস্ক্রিয়তার সুযোগ নিয়ে গত কয়েক মাসে অবৈধ এই কারবার বেড়েছে কয়েক গুণ এমনটাই জানান স্থানীয়রা।

ফাইল ছবি