মেঘনায় ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ  ২৪.ম,মো. ইব্রাহীম খলিল মোল্লা, মেঘনা (কুমিল্লা) সৌজন্যে ,সোমবার   ১৮ মে ২০২৬ ||  জ্যৈষ্ঠ ৪ ১৪৩৩ || ৩০ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি :

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলায় অভিযান চালিয়ে চিহ্নিত মাদক কারবারি মো. মোসলেম উদ্দিনকে (৬০) ১০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। সোমবার (১৮ মে) সকাল ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা রাধানগর গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি একই ইউনিয়নের পাড়ারবন্দ গ্রামের মৃত বজলুর রহমান বুলুর ছেলে।

Advertisement

অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

জানা গেছে, মাদক কারবারি মোসলেম দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি নিজেও মাদক সেবনের সঙ্গে জড়িয়ে গেছেন। তার এই অবৈধ কার্যক্রমে স্ত্রী কাজলী ও মেয়ে পুতুলসহ সম্পৃক্ত রয়েছে, যদিও বর্তমানে তারা পলাতক। মোসলেম পুরো মেঘনা এলাকায় এমনভাবে মাদকের বিস্তার ঘটিয়েছে যে, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরাও এতে আসক্ত হয়ে পড়ছে এবং এর প্রভাব দিন দিন উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। এ অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হলে মোসলেম প্রায়ই অসুস্থতার ভান করে, বিশেষ করে শ্বাসকষ্টের অভিনয় করে, আইনের ফাঁক গলে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং বহুবার এভাবে পার পেয়ে গেছে। ২০২৪ সালে ওসি আব্দুল জলিলের দায়িত্বকালেও একই ঘটনা ঘটে। তখন তাকে অসুস্থ মনে হওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়, তবে চিকিৎসকরা কোনো গুরুতর অসুস্থতার প্রমাণ পাননি। তবুও তার এমন কৌশলী আচরণ এবং আসামি হেফাজতে মারা গেলে পুলিশের জবাবদিহিতার ঝুঁকি থাকায় শেষ পর্যন্ত তাকে মামলা দায়েরের আগেই ছেড়ে দিতে বাধ্য হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোসলেম উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে সহযোগীদের নিয়ে এলাকায় ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি মূলত উঠতি বয়সী তরুণদের কাছে এসব মাদক বিক্রি করতেন। মোসলেম উদ্দিনের বিরুদ্ধে ২০১৪ সাল থেকে এই পর্যন্ত অন্তত ১০টি মামলা হয়েছিলো।

মেঘনা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা খারাপ জেনেও তাকে গ্রেফতার করতে বাধ্য হয়েছেন বলে তিনি জানান। এছাড়াও ওই ব্যক্তির কারণে উঠতি বয়সী যুবকেরা মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে এবং তাদের ভবিষ্যৎ নষ্ট হচ্ছে। এ অবস্থায় তার শারীরিক সমস্যার অজুহাতে পুরো এলাকা ধ্বংসের দিকে যেতে দেওয়া যায় না। আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।