(ভিডিও )ইরানকে নতি স্বীকার করানোর মতো ‘হাতিয়ার’ ট্রাম্পের ফুরিয়ে আসছে: বিশ্লেষক

SHARE

https://www.facebook.com/share/v/17HiagzkdZ/

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ  ২৪.ম,আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি,সোমবার   ১১ মে ২০২৬ ||  বৈশাখ ২৮ ১৪৩৩ || ২৩ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি :

ইরানের কাছ থেকে ছাড় আদায়ের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে খুব বেশি ‘উপায়’ অবশিষ্ট নেই বলে মনে করছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মার্ক ফাইফল। তার মতে, দীর্ঘ সংঘাত ও আলোচনার পরও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে ঠিক আগের অবস্থানেই দাঁড়িয়ে আছে।

Advertisement

অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

 

সোমবার (১১ মে) আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাবেক মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এই মন্তব্য করেন।

 

 

মার্ক ফাইফল বলেন, “ইরান সবকিছু থেকে মুক্তি চায়- তাদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ও অবরোধ প্রত্যাহার থেকে শুরু করে মার্কিন বা ইসরায়েলি সামরিক অভিযান বন্ধ করা পর্যন্ত সব কিছুই তাদের দাবি।” অন্যদিকে, ট্রাম্প চান ইরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ত্যাগ করুক, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি বন্ধ করুক এবং তাদের প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোকে অর্থায়ন বন্ধ করুক।

 

তবে ফাইফলের মতে, ট্রাম্পের পক্ষে ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় যুদ্ধ শুরু করার সম্ভাবনা কম।

“ট্রাম্প এবং তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্প্রতি বলেছেন যে, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শেষ হয়েছে। এর মাধ্যমে অন্তত ফাঁকা কথার দিক থেকে হলেও পুনরায় বড় ধরনের কোনো সামরিক অভিযানে জড়ানোর সম্ভাবনা টেবিল থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।”, বলেন ফাইফল।

 

তার মতে, সরাসরি যুদ্ধে না গেলেও ট্রাম্প ইরানকে চাপে রাখতে কিছু কৌশল অবলম্বন করতে পারেন। সম্ভবত এখন তিনি মার্কিন অবরোধের মাধ্যমে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরো বাড়িয়ে দেবেন। এছাড়া তিনি হরমুজ প্রণালির উপকূলের আশেপাশে ছোটখাটো কোনো সামরিক পদক্ষেপ নিতে পারেন। বিশেষ করে ইরানের দ্রুতগামী নৌকা, ড্রোন উৎক্ষেপণ কেন্দ্র ও ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে এই অভিযান হতে পারে, যা অবরোধে থাকা জাহাজগুলোর জন্য হুমকি স্বরূপ।

ট্রাম্প চাইলে নিষেধাজ্ঞা আরো কঠোর করতে পারেন অথবা হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে পাহারার দেওয়ার জন্য ইউরোপীয় ও এশীয় নৌবাহিনীকে চাপ দেওয়া অব্যাহত রাখতে পারেন।

Advertisement

 

কিন্তু এসব বিকল্পের বাইরে ফাইফল সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “ট্রাম্পের ঝুলিতে খুব বেশি হাতিয়ার আর অবশিষ্ট নেই।”