মেঘনার মৈশারচরে ফের সন্ত্রাসী হামলা: বাবা-ছেলে গুরুতর আহত, লুটপাটের অভিযোগ

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ  ২৪.ম,মেঘনা থেকে বিশেষ প্রতিনিধি,সোমবার   ২০ এপ্রিল ২০২৬ ||  বৈশাখ ৭ ১৪৩৩ || ২ জিলকদ ১৪৪৭ হিজরি :

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার চালিভাঙ্গা ইউনিয়নের মৈশারচর গ্রামে আবারও সংঘটিত হয়েছে চাঞ্চল্যকর এক সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা। স্থানীয়ভাবে পরিচিত ‘সালাম গ্যাং’ ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে মানিক মিয়া ও তার ছেলের ওপর নৃশংস হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে।

Advertisement

অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি পরিকল্পিতভাবে মানিক মিয়ার বাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীরা ঘরে ঢুকে মানিক মিয়া ও তার ছেলেকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এলেও হামলাকারীদের ভয়ে কেউ সরাসরি প্রতিরোধ করতে পারেনি। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

উল্লেখ্য, এর আগেও একই গোষ্ঠীর সদস্যরা মানিক মিয়ার ওপর হামলা চালিয়ে তাকে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করেছিল। সে সময়ও তাকে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি থাকতে হয়েছিল। স্থানীয়দের অভিযোগ, আগের ঘটনার পর যথাযথ ব্যবস্থা না নেওয়ায় সন্ত্রাসীরা আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে এবং পুনরায় হামলা চালায়।

সর্বশেষ হামলাকারীরা শুধু আহত করেই ক্ষান্ত হয়নি, বরং বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। তারা স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা-পয়সাসহ বিভিন্ন মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটি চরম আর্থিক ও মানসিক সংকটে পড়েছে।

এ বিষয়ে তথ্য নিশ্চিত করেছেন মানিক মিয়ার বড় ছেলে মোঃ আরিফ। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্কের মধ্যে আছি। বারবার হামলার শিকার হচ্ছি। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানাই।”

Advertisement

ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এলাকাবাসী দ্রুত জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরে আসে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সচেতন মহলের মতে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে এ ধরনের সহিংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।