ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি,বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ ২০২৬ || ফাল্গুন ২৭ ১৪৩২ || ২২ রমজান ১৪৪৭ হিজরি :
সাম্প্রতিক সামরিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলায় এখন ব্যাপকভাবে ক্লাস্টার মিউনিশন (গুচ্ছ বোমা) ব্যবহার করছে। ফলে সাধারণ ক্ষেপণাস্ত্রের চেয়ে বহুগুণ বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠছে এই মারণাস্ত্র।
Advertisement
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ মাসে চালানো প্রায় ৩০০টি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অর্ধেকই ছিল এই ক্লাস্টার ওয়ারহেড সমৃদ্ধ। গত বছরের জুন মাসে সংঘটিত স্বল্পস্থায়ী যুদ্ধের তুলনায় এবারের সংঘর্ষে এই ধরণের মারণাস্ত্রের ব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে যা আধুনিক যুদ্ধকৌশলে এক বড় ধরনের পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
একটি সাধারণ ক্ষেপণাস্ত্র যেখানে নির্দিষ্ট একটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে, সেখানে ক্লাস্টার বোমা আকাশেই ফেটে গিয়ে কয়েক ডজন ছোট ছোট বোমা বা সাব-মিউনিশন চারদিকে ছড়িয়ে দেয়। এই ছোট বোমাগুলো সাধারণত ভূপৃষ্ঠ থেকে কয়েক কিলোমিটার উচ্চতায় বিচ্ছিন্ন হয়ে বিশাল এলাকাজুড়ে বৃষ্টির মতো আছড়ে পড়ে। ইরানের খোররামশহর-৪, সেজ্জিল-২ এবং ইমাদ-এর মতো শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্রগুলো বর্তমানে প্রায় ৫০ থেকে ৮০টি পর্যন্ত ছোট বোমা বহন করতে সক্ষম। এই প্রযুক্তি ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হলো একটিমাত্র হামলার মাধ্যমে বিশাল অঞ্চলের সামরিক বা বেসামরিক অবকাঠামোকে অচল করে দেওয়া।
এই যুদ্ধাস্ত্রের সবচেয়ে আতঙ্কজনক দিক হলো এর অনির্দিষ্ট ধ্বংসক্ষমতা যা সামরিক এবং বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে কোনো পার্থক্য করতে পারে না। জনবহুল শহর বা আবাসিক এলাকায় এই বোমাগুলো ছড়িয়ে পড়লে ঘরবাড়ি, স্কুল এবং হাসপাতালগুলো মুহূর্তেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে। যেহেতু এই ছোট বোমাগুলো কোনো নির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা ছাড়াই যত্রতত্র পড়ে, তাই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে এগুলোর প্রতিটি অংশকে ধ্বংস করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলে গত কয়েক দিনের হামলায় মধ্য ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে যা সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
Advertisement
প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

হামলার সময় অনেক ছোট বোমা তাৎক্ষণিকভাবে বিস্ফোরিত না হয়ে মাটিতে পড়ে থাকে যা অনেকটা ল্যান্ডমাইন বা জীবন্ত বোমার মতো কাজ করে। বছরের পর বছর এই অবিস্ফোরিত অংশগুলো মাটির নিচে বা ঝোপঝাড়ের আড়ালে লুকিয়ে থাকতে পারে এবং যেকোনো সময় সাধারণ মানুষের স্পর্শে এসে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে।



