ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,শেরপুরের শ্রীবরদী প্রতিনিধি,শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ || মাঘ ১৬ ১৪৩২ :
বিএনপির সঙ্গে জামায়াতের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের একপর্যায়ে কয়েকজনের সঙ্গে পেছনে পড়ে গিয়েছিলেন শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম। একপর্যায়ে তাকে ধরে বেধড়ক পেটান বিএনপি নেতাকর্মীরা। পরে সেখান থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে মাথার পেছনে ‘ইট দিয়ে থেতলে’ দেন। এতেই প্রাণ হারান মাওলানা রেজাউল করিম।
Advertisement
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জামায়াত কর্মী ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন শ্রীবরদী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সাইফুল ইসলাম সালেহী বর্ণনায় উঠে এসেছে এমন তথ্য। রেজাউল করিমকে তিনি উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। তাকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছে—তার বিস্তারিত জানিয়েছেন এ নেতা।
জামায়াত কর্মী ও বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন শ্রীবরদী উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সাইফুল ইসলাম সালেহী জানান, শুরু থেকেই তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। আহত অবস্থায় রেজাউল করিমকে উদ্ধার করে প্রথমে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে শেরপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত ১০টার দিকে তিনি মারা যান।
Advertisement
প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পরও বিএনপির নেতাকর্মীরা সরেনি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বাদল ভাই লোকজন নিয়ে প্রশাসনসহ উত্তরের দিকে চলে যায়। আর কর্মী যারা পিছে পড়ে গেয়েছিল, বিএনপির নেতাকর্মীরা তাদের ওপরে হামলা চালায়। আমার সামনে ৮-১০ জনকে ইচ্ছেমতো পিডাইছে। আমি প্রশাসনকে বারবার অনুরোধ করছি, পুলিশ কিছু ছিল যেন ভাইকে উদ্ধার করেন। তখন তারা বলছে যে, কিছু হবে না, আমরা যেতে পারব না।’
মাওলানা সাইফুল ইসলাম সালেহী বলেন, ‘তারা ফেলে যাওয়ার পর নিথর অবস্থায় রেজাউল ভাইরে উদ্ধার করে নিয়ে পরে একটা অটোরিকশায় অন্য এলাকা দিয়ে ঘুরে হাসপাতালে নিয়ে গেছি। ওখানে দেখি, তিনজনকে হাসপাতালে ফেলে রাখছে, লোকজন নাই, চিকিৎসাও নাই। পরে আমি দুইটা সিএনজি ভাড়া করে যুবকের সহায়তা নিয়ে চারজনকে শেরপুর নিয়ে আসছি।’
তিনি ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘আমার চোখের সামনে তারা পিটিয়ে রেজাউল ভাইকে নিথর অবস্থায় টানাহেঁচড়া করে নিয়ে যায়। পুনরায় ইট দিয়ে থেতলায় দিছে। ইট দিয়ে আঘাত করছে। পিছনে ইটের আঘাতে যে ক্ষত হয়েছে, এতে রক্তক্ষরণ বেশি হয়েছে। আমাদের সামনে যে দুজন ছিল, সেই দুই নেতাকে কোপাইছে।’
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) শেরপুর-৩ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে। সকাল থেকে বিভিন্ন দলের প্রার্থী ও সমর্থকরা সেখানে জড়ো হতে থাকেন। অনুষ্ঠানে সামনের সারিতে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
এ সময় কয়েকশ চেয়ার ও কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। উভয়পক্ষের শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। পুলিশ ও সেনা সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে রেজাউল করিমের মৃত্যুর তথ্য জানান।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে বিএনপি সমর্থকদের বর্বরোচিত হামলায় আমাদের শ্রীবরদী উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন। এ হামলায় আমাদের ৫০ জনেরও বেশি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।’
জামায়াত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের অভিযোগ, পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিএনপি ও তাদের সমর্থকরা জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়েছেন। অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল দাবি করেন, উগ্রবাদী জামায়াতিরা পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করছে এবং দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চাচ্ছে।
এ ঘটনায় শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ভূঞা বলেন, ‘জামায়াত নেতার মৃত্যুর কথা শুনেছি। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে।’
Advertisement
এ জে সেন্টারে বিত্রুয় প্রতিনিধি আবশ্যক
__________________________
এ সি,ডিসি লাইট,বাথ ব্যাথা,চুলকানীর মলম,ইত্যাদি বিক্রয় করা হয়।
বিক্রয় প্রতিনিধিদের সাইকেল ও মোবাইল দেওয়া হয়, আলোচনাশাপেক্ষে।
যোগাযোগ করুন-মোবাইল : ০১৯৭৮৬২৪২০৫
মোঃ মতিউর রহমান
এ জে সেন্টার
বারদি বাজার,সোনারগাঁও
জেলা- নারায়নগঞ্জ
_______________________________________
ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল বলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে আমরা ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলাম। কিন্তু সেখানে বসাকে কেন্দ্র করে ঝামেলা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি। একই সঙ্গে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। পরবর্তী সময়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ ডেইলি ক্যাম্পাস



