(ভিডিও)সাভার-আশুলিয়ায় শ্রমিক আন্দোলনে দেশি-বিদেশি চক্রান্ত দেখছে পুলিশ

SHARE

ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,ঢাকার সাভার ও আশুলিয়া প্রতিনিধি, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬,১৭ কার্তিক ১৪৩৩২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮:

ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ায় পোশাক শ্রমিকদের চলমান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পেছনে তৃতীয় পক্ষের ইন্ধন এবং দেশি-বিদেশি চক্রান্ত আছে বলে মনে করছেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

  • Advertisement

    • আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫,০১৮০৬৬৭৬৬৬৩

 

তাদের দাবি, সরকার শ্রমিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে মজুরি বোর্ড গঠন করলেও একটি মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শিল্পাঞ্চলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে। এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তি ও তাদের ইন্ধনদাতাদের সম্পর্কে পুলিশের কাছে গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে।

 

চলমান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতা, ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয় যা-ই হোক না কেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে পুলিশ। ইতোমধ্যে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করার দাবিও করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে, তাৎক্ষণিকভাবে গ্রেপ্তারের সংখ্যা জানাতে পারেননি পুলিশ কর্মকর্তারা।

সোমবার (২ নভেম্বর) বিকেলে শিল্পাঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শনকালে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের উলাইল এলাকায় অবস্থিত আল মুসলিম গ্রুপের সামনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন।

 

মজুরি বোর্ড গঠনের পরও শ্রমিক আন্দোলন অব্যাহত থাকা এবং সহিংসতার পেছনে তৃতীয় কোনো পক্ষের ইন্ধন রয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি বলেন, “আপনারা জানেন যে, গতকাল সকালে মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে এবং মজুরি বোর্ড তার কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।”

 

শ্রমিকদের নিজ নিজ কর্মস্থলে স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “পুলিশ তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। মজুরি বোর্ড গঠনের পরও যারা শিল্পাঞ্চলে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, তাদের উদ্দেশ্য ভিন্ন। শ্রম সেক্টরের উন্নয়ন তাদের উদ্দেশ্য না। তাদের উদ্দেশ্য অন্য কিছু। কোনোমতেই তাদের উদ্দেশ্য সফল করতে দেওয়া হবে না। এক্ষেত্রে যা যা দরকার, আইনের মধ্য থেকে সবকিছুই পুলিশ গ্রহণ করবে।”

অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টিকারী ব্যক্তি এবং তাদের ইন্ধনদাতাদের সম্পর্কে পুলিশ তথ্য সংগ্রহ করছে, জানিয়ে ডিআইজি বলেন, “পুলিশের কাছে এ-সংক্রান্ত তথ্য রয়েছে। এসব তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম অব্যাহত আছে। যারাই অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

চলমান আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে আওয়ামী লীগ কিংবা ছাত্রলীগের কেউ রয়েছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ডিআইজি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয় এবং তাদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা যে রাজনৈতিক দলেরই হোন না কেন, অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির সঙ্গে জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

হেলমেট ও মুখোশ পরিহিত ব্যক্তিদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ
আন্দোলন চলাকালে হেলমেট ও মুখে মাস্ক কিংবা কাপড় বেঁধে কিছু ব্যক্তিকে অংশ নিতে দেখা গেছে। তাদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন বলেন, “আপনারা দেখেছেন, আমরা অনেককে কিন্তু গ্রেপ্তার করেছি। আমাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য আছে।”

তিনি বলেন, “এই যে হেলমেট বাহিনী, এই হেলমেট বাহিনী আপনারা গত ১৭ বছরে দেখেছেন। হেলমেট বাহিনী কারা ছিল? সেই হেলমেট বাহিনী সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। আমরা কাজ করছি।”

পুলিশ সুপার জানান, আন্দোলন চলাকালে ধারণ করা সিসিটিভি ফুটেজ, সাংবাদিকদের সংগ্রহে থাকা ভিডিও ফুটেজ এবং পুলিশের নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব ব্যক্তিকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

 

তার দাবি, আন্দোলনরত শ্রমিকদের মধ্যে অনুপ্রবেশ করে কিছু ব্যক্তি সহিংসতা ও ভাঙচুর করছেন। এসব ব্যক্তিকে প্রকৃত শ্রমিক হিসেবে বিবেচনা করছে না পুলিশ।

তিনি বলেন, “আসলে যারা ভাঙচুর করছে, তারা কখনো শ্রমিক না। কারণ, শ্রমিকরা কখনো তার অর্গানাইজেশনকে, তার গার্মেন্টসকে ভাঙচুর করে না।”

পুলিশ সুপারের দাবি, শ্রমিকদের মধ্যে ঢুকে কিছু দুষ্কৃতকারী দেশকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে এসব কর্মকাণ্ড করছে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

শিল্পাঞ্চলে বড় পরিকল্পনা ছিল, দাবি পুলিশের
চলমান শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে একটি পক্ষ শিল্পাঞ্চলে বড় ধরনের পরিকল্পনা করেছিল বলে দাবি করেছেন পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন। তার ভাষ্য, শিল্পাঞ্চলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আরও বড় পরিকল্পনা ছিল। তবে, আগাম গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান ও গ্রেপ্তারসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ায় সেই পরিকল্পনা সফল হয়নি।

তিনি বলেন, সাভার, আশুলিয়া, ইপিজেড ও হেমায়েতপুর এলাকায় অনেক পোশাক কারখানা চালু রয়েছে। অতীতে যেভাবে শিল্পকারখানায় ভাঙচুর ও ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে, এবার গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আগাম ব্যবস্থা নেওয়ার কারণে সে ধরনের পরিস্থিতি অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে।

কারখানা বন্ধের নির্দিষ্ট সংখ্যা জানাতে পারেনি পুলিশ
চলমান শ্রমিক অসন্তোষের কারণে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে মোট কতটি তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ রয়েছে বা কতটিতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেননি পুলিশ সুপার।

তিনি জানান, যেসব কারখানা বন্ধ রয়েছে, সেগুলোর কর্তৃপক্ষ নিজেদের সিদ্ধান্তে ছুটি ঘোষণা করেছে। নিরাপত্তার ঘাটতির কারণে কারখানা বন্ধ রাখতে হচ্ছে, এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি।

পুলিশ সুপার বলেন, আগের দিন শিল্পাঞ্চলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা হলেও সোমবার সকাল থেকে ঢাকা জেলা পুলিশ পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে। আশুলিয়া, ইপিজেড ও সাভারের বিভিন্ন পোশাক কারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ কাজ করছে। পুলিশের তৎপরতার কারণে এদিন কোনো পোশাক কারখানায় হামলার সুযোগ সৃষ্টি হয়নি।

তিনি জানান, শিল্প পুলিশ, বিজিএমইএ এবং পোশাক কারখানার মালিকদের সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বার্তা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে মালিকদের কারখানা খোলা রাখা এবং শ্রমিকদের কাজে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সুপার বলেন, “তৈরি পোশাক খাতের সঙ্গে শ্রমিকদের জীবিকা ও তাদের পরিবারের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা জড়িত। একইসঙ্গে দেশের অর্থনীতিতেও খাতটির গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। ফলে, শিল্পাঞ্চলের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখা জরুরি।”

গ্রেপ্তারের মোট সংখ্যা জানাতে পারেনি পুলিশ
আন্দোলনকে কেন্দ্র করে এ পর্যন্ত কতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার জানান, ঢাকা জেলা পুলিশ, শিল্প পুলিশ, আশুলিয়া ও সাভার থানা পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক ইউনিট বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছে। বিভিন্ন স্থান থেকে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে, একাধিক ইউনিট অভিযান পরিচালনা করায় গ্রেপ্তারের মোট সংখ্যা তখন পর্যন্ত সমন্বয় করা সম্ভব হয়নি। সন্ধ্যার মধ্যে সব ইউনিটের তথ্য একত্র করে গ্রেপ্তারের মোট সংখ্যা সাংবাদিকদের জানানো সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

কাজে ফিরতে ইচ্ছুক শ্রমিকদের নিরাপত্তার আশ্বাস
বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা কাজে যোগ দিতে চাইলেও বাইরের কিছু ব্যক্তি তাদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। শ্রমিকদের কোনো উসকানিতে পা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশ সুপার।

তিনি বলেন, “আমাদের শ্রমিক ভাই-বোনেরা, আপনারা কোনো ধরনের কুচক্রী মহলের ফাঁদে পা দেবেন না। যারা উস্কানি দিচ্ছে, সেই উস্কানিদাতাদের ফাঁদেও পা দেবেন না। কারণ, এটাই আপনাদের রুটি-রুজি। আপনারা কর্মে ফিরে আসুন, কাজ করুন। নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব আমাদের।”

মাঠপর্যায়ে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
শ্রমিক বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের মাঠপর্যায়ের কিছু সদস্যের নিষ্ক্রিয় ভূমিকা পালনের অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ সুপার বলেন, “পুলিশ পেশাদারত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় অনেক সময় কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হয়, যেটিকে নিষ্ক্রিয়তা হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই।”

পুলিশ সুপার বলেন, “আমাদের মূল কাজ হচ্ছে— গার্মেন্টস শিল্পকে রক্ষা করা এবং শ্রমিক ভাইদেরকে রক্ষা করা।”

তিনি জানান, কোনো স্থানে ৫০০ থেকে ৬০০ শ্রমিকের বিপরীতে মাত্র ২০ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করতে হয়। পুলিশের উদ্দেশ্য কাউকে আহত করা নয়; বরং শ্রমিক ও শিল্পকারখানা উভয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এ কারণে পুলিশ সব পরিস্থিতিতে আক্রমণাত্মক অবস্থান নেয় না। কোনো পক্ষ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটি বিবেচনায় রেখেই পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে বলে জানান তিনি।

পুলিশ সদস্য আহতের ঘটনায় ‘শূন্য সহিষ্ণুতা‘র ঘোষণা
আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যদের আহত হওয়ার বিষয়ে ডিআইজি বলেন, “আপনারা জানেন যে, আজকে আইনশৃঙ্খলার অবস্থা অনেক ভালো ছিল। দুষ্কৃতিকারীদের প্রতি আমাদের শূন্য সহিষ্ণুতা। যারাই বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে বা এদের ইন্ধন দেবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং হবে।”

মজুরি বোর্ড গঠনের পরও আন্দোলন কেন, প্রশ্ন পুলিশের
সরকার নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের পরও শ্রমিকদের আন্দোলন ও সড়ক অবরোধ অব্যাহত থাকার পেছনে কেবল শ্রম অসন্তোষ, নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে পুলিশের পক্ষ থেকে আন্দোলনের পেছনে উসকানিদাতাদের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, সরকার শ্রমিকদের দাবির বিষয়ে আন্তরিকতা দেখিয়ে মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। এরপরও ভাঙচুর ও সহিংসতা অব্যাহত থাকায় আন্দোলনকে কেন্দ্র করে অন্য কোনো মহলের উদ্দেশ্য রয়েছে বলে সন্দেহ করছে পুলিশ।

পুলিশ সুপার দাবি করেন, দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে দেশি-বিদেশি চক্রান্ত কাজ করছে বলে তাদের ধারণা। এ বিষয়ে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে এবং সেই তথ্যের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  • Advertisement

তবে, কথিত দেশি-বিদেশি চক্রান্তে কারা জড়িত, তাদের পরিচয় কী কিংবা এখন পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্যের বিস্তারিত সাংবাদিকদের সামনে প্রকাশ করেননি পুলিশ সুপার।

সোমবার বিকেলে শিল্পাঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও ঢাকার পুলিশ সুপার শামীমা পারভীন