ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি, বুধবার,১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,১ আশ্বিন ১৪৩৩০৪ রবিউস সানি ১৪৪৮:
মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি কেবল মুসলিম দেশগুলোর জন্য নয়; বরং এটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষার একটি জোট। পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী বুধবার এক সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেছেন।
-
Advertisement

-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫,০১৮০৬৬৭৬৬৬৩
আল আরাবিয়া ইংলিশের অনুষ্ঠান ‘গ্লোবাল নিউজ টুডে’-তে উপস্থাপক টম বার্জেস ওয়াটসনের সঙ্গে আলাপকালে সামরিক বাহিনীর এই মুখপাত্র এ মন্তব্য করেন।
সাক্ষাৎকার চলাকালে লেফটেন্যান্ট জেনারেল চৌধুরীকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে, তিনি কি এই প্রতিরক্ষা চুক্তিটিকে মুসলিম বিশ্বের বৃহত্তর নিরাপত্তা কাঠামোর অংশ হিসেবে দেখছেন কি না।
জবাবে তিনি বলেন, চুক্তিতে এমন কোনো কথা উল্লেখ নেই যে এটি একটি মুসলিম জোট; বরং এটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষার একটি জোট।
তিনি বলেন, “এটি কেবল মুসলিম দেশগুলোর জন্য তৈরি কোনো ‘ক্লাব’ নয়।” জোটের সম্প্রসারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের নেতৃত্ব।
তিনি আরো বলেন, “এই চুক্তি বা জোটে নতুন ও আগ্রহী অংশীদারদের অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ সবসময়ই রয়েছে—যারা আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তায় বিশ্বাসী এবং যারা আগ্রাসন না চালানো, হস্তক্ষেপ না করা ও সম্মিলিত প্রতিরোধ ব্যবস্থার বিষয়ে অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে।”
তিনি বলেন, “তবে কীভাবে বা কখন তা করা হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয়টি এই তিনটি দেশের নেতৃত্বের ওপরই নির্ভর করছে।”
পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর এই মুখপাত্র জানান, পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যকার ত্রিপক্ষীয় চুক্তি ‘মক্কা ডিফেন্স অ্যালায়েন্স’-এর কোনো ‘আঞ্চলিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা’ নেই; বরং এটি সম্মিলিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে গঠিত হয়েছে।
-
Advertisement

৭ আগস্ট এই যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির শর্তানুযায়ী, কোনো সদস্য রাষ্ট্রের ওপর হামলা হলে তা সকল সদস্য রাষ্ট্রের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। ৩১ আগস্ট ইস্তাম্বুলে জোটের উদ্বোধনী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়; সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, প্রাথমিকভাবে পাকিস্তান তিন বছরের জন্য জোটের সচিবালয়ের নেতৃত্ব দেবে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল আহমেদ শরীফ চৌধুরী


