ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.হবিগঞ্জ প্রতিনিধি ,মঙ্গলবার ২৮ জুলাই ২০২৬ || শ্রাবণ ১৩ ১৪৩৩ || ১৩ সফর ১৪৪৮ হিজরি :
হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপি পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। সাংবাদিকদের কয়েকটি গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীসহ এনসিপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী। তবে এনসিপি পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা। মঙ্গলবার বিকেলে হবিগঞ্জের সার্কিট হাউজ এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে।
এনসিপির মিডিয়া উপ কমিটির সদস্য ইয়াসিন আরাফাত বিবিসি বাংলাকে বলেন, ”বিএনপি ও ছাত্রদলের কর্মীরা হামলা সারজিস আলম ও নাসীরুউদ্দিন পাটওয়ারীকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালায়। এতে এনসিপি নেতা সারজিস আলমসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।”
ওই ঘটনার সময়কার বেশ কিছু ভিডিও ও ছবিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সেখানে দেখা যায় কিছু ব্যক্তির হাতে লাঠিসোটা রয়েছে। সেখানে থাকা কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর ও সেই গাড়িতে থাকা গণমাধ্যমকর্মী ও ড্রাইভারকে মারধর করা হচ্ছে।
একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, যারা হামলা করেছেন, সেখানে একজন ব্যক্তিকে মারপিটে অংশ নিতে দেখা যায়, যার গায়ে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল লেখা টির্শাট পরা রয়েছে।
সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজের এক পোস্টে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম লিখেন, “হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়ি বহরে অতর্কিত ও সশস্ত্র হামলা করেছে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। এতে বেশ কয়েকজন সাংবাদিক ও এনসিপি নেতাকর্মীরা আহত হয়েছেন। দুর্ভাগ্যবশত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে এই হামলা হয়েছে”।
তিনি আরো বলেন, “এনসিপির মিডিয়া টিমের মাইক্রোবাসটিকে হবিগঞ্জ জেলা সার্কিট হাউজের ভেতরে নিয়ে হামলা করেছে সন্ত্রাসীরা। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ভেতর নিয়ে এমন ন্যাক্করজনক কাণ্ড ঘটিয়েছে তারা। কেবল মাইক্রোবাস ভেঙ্গেই তারা ক্ষান্ত হয়নি; মোবাইল ফোন এবং ক্যামেরা ছিনিয়ে নিয়ে গেছে”।
তবে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ নাচক করে দিয়ে হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সংসদ সদস্য মোঃ জি কে গউছ বিবিসি বাংলাকে বলেন, ”এনসিপির সাথে আমাদের তো কোনো বিরোধ নাই, তাদের ওপর হামলা করার কোনো কারণ নেই। আমি শুনেছি কে বা কারা তাদের ওপর হামলা করেছে, কিন্তু আমরা এর সাথে জড়িত নই।”



