(ভিডিও)রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করায় দেশ থেকে স্বৈরাচারের কালো ছায়া সরেছে

SHARE

য়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ৪.ম,বিশেষ প্রতিনিধি,  শনিবার,২৫ জুলাই ২০২৬,১০ শ্রাবণ ১৪৩৩১০ সফর ১৪৪৮ :

বিরোধী দলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করায় দেশ থেকে স্বৈরাচারের একটি কালো ছায়া সরে গেছে। সাহাবুদ্দিন কী কারণে পদত্যাগ করেছেন, সে বিষয়ে আমাদের আগ্রহ নেই। কারণ, আমরা আগে থেকেই বিবেচনায় নিয়েছি যে, তিনি আর প্রেসিডেন্ট পদে থাকার যোগ্য নন। তিনি তার যোগ্যতা হারিয়েছেন।”

 

 

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধী দলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ-পরবর্তী জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

জামায়াতের আমির বলেন, “সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বর্তমান মাননীয় স্পিকার অস্থায়ী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। আমরা তাকে অভিনন্দন জানাই। আমরা আশা করছি, তিনি যতদিন দায়িত্ব পালন করবেন, ন্যায়নিষ্ঠ ও নির্মোহভাবে দায়িত্ব পালন করবেন। কারো প্রতি তিনি কোরো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করবেন না। তিনি যতদিন নিরপেক্ষভাবে এবং রাষ্ট্রপতির মর্যাদা রক্ষা করে দায়িত্ব পালন করবেন, ততদিন আমরা তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে যাব।”

 

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির সুস্বাস্থ্য কামনা করি। সংবিধান অনুযায়ী ৯০ দিনের মধ্যে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে হবে। যেহেতু, সংসদ অধিবেশন রয়েছে, কাজেই স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে। সেক্ষেত্রে আমাদের ভূমিকা কী হবে, তা দেখতে পাবেন, ইনশাআল্লাহ।”

 

তিনি আরো বলেন, “বাংলাদেশ এগিয়ে যাক, এটি সবার প্রত্যাশা। যথাসময়ে মাননীয় অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি তার দায়িত্ব পালন করবেন। এখানে কোনো সাংবিধানিক সংকট তৈরি হওয়ার কথা নয়। আমরা চাই, কোনো সংকট তৈরি না হোক।”

বিরোধী দলীয় নেতা বলেন, “আমরা চাই, দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ সবাই সম্ভব হলে দেশের অভ্যন্তরেই চিকিৎসা গ্রহণ করুন। প্রয়োজন হলে বিদেশি বিশেষজ্ঞদের দেশে এনে চিকিৎসা করানো যেতে পারে। দেশের নির্বাচিত বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা যদি চিকিৎসার জন্য নিয়মিত বিদেশে চলে যান, তাহলে দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন হবে কীভাবে? দেশের চিকিৎসকদের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরবে কীভাবে? তাই, দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নের স্বার্থে আমাদের সবার দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর আস্থা রাখা উচিত।”