ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,পাবনা সদর প্রতিনিধি,শুক্রবার ২৬ জুন ২০২৬ || আষাঢ় ১২ ১৪৩৩ || ১০ মহররম ১৪৪৮ হিজরি :
পাবনা সদর উপজেলায় পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মঞ্জু শেখ (৩৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।
-
Advertisement

-
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫,০১৩১৫২৫১১৪৫,০১৮০৬৬৭৬৬৬৩
শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুর ১টার দিকে চরতারাপুর ও ভাঁড়ারা ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী জোতকাকুরিয়া কলাবাগান পদ্মার চর এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনূর রহমান এ তথ্য জানিয়েছেন।
নিহত মঞ্জু শেখ সদর উপজেলার আড়িয়া গোহাইলবাড়ি এলাকার দারোগ শেখের ছেলে। তিনি সুজানগর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ ও চরতারাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ রহমত আলীর ভাতিজা। মঞ্জু বিএনপির কর্মী বলে দাবি নেতাদের।
এলাকবাসী জানায়, চরতারাপুরের চর এলাকা জোতকাকুড়িয়া কলাবাগান এলাকার পদ্মার চরে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলছে। বৃহস্পতিবার সকালেও এ নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। আজ শুক্রবার সকালে দুই গ্রুপের লোকজন সেখানে বালু আছে কিনা নিশ্চিত হতে গিয়ে গোলাগুলি ও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মঞ্জু শেখে মৃত্যু হয়। এরপর স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়।
সুজানগর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব শেখ আব্দুর রউফ বলেন, “চরতারাপুর ও ভাঁড়ারা এলাকার কিছু লোকজন বালু তুলতে গেলে আমার ভাতিজারা বাঁধা দিতে যান। এ সময় গুলি হলে মঞ্জু মারা যান।” মঞ্জু বিএনপির কর্মী ছিলেন বলেও দাবি করেন তিনি।
-
Advertisement

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনূর রহমান বলেন, “বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিতে মঞ্জু শেখ নিহত হন। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। হত্যার কারণ উদঘাটনে কাজ করছে পুলিশ।”



