https://www.facebook.com/share/v/17SYC2ity8/
ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি ,বুধবার ০৮ এপ্রিল ২০২৬ || চৈত্র ২৫ ১৪৩২ || ১৯ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি :
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে একটি বড় ধরনের রাজনৈতিক ও সামরিক ‘বিজয়’ হিসেবে উদযাপন করছে ইরান। দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা এই সফলতার কৃতিত্ব দিয়েছেন জনগণের ধৈর্য ও সশস্ত্র বাহিনীর সাহসিকতাকে।
Advertisement
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————
বুধবার (৮ এপ্রিল) আল-জাজিরার তেহরান সংবাদদাতা মোহাম্মদ ভাল-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানি প্রশাসন যুদ্ধের শুরু থেকেই জনগণকে আশ্বস্ত করে আসছিল যে, এই সংঘাত কেবল ইরানের শর্ত অনুযায়ীই শেষ হবে। বর্তমানে তারা বিষয়টিকে সেভাবেই উপস্থাপন করছে। বিশেষ করে, ইরানের উত্থাপিত ১০টি দাবিকে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার ভিত্তি হিসেবে মেনে নেওয়া এবং ‘অধিকাংশ বিরোধপূর্ণ বিষয়ে দুই পক্ষের একমত হওয়া’- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে তেহরান তাদের বড় অর্জন হিসেবে দেখছে।
ইরানি কর্মকর্তারা জনগণের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে বলছেন, এই অর্জন হলো ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর স্থিতিস্থাপকতা, ধৈর্য ও সাহসিকতা ফল।
বিশ্লেষকদের মতে, আমেরিকান এবং ইসরায়েলিদের হিসেব ছিল যে, যুদ্ধের প্রথম দিনেই ইরানের শীর্ষ নেতাদের হত্যার মাধ্যমে দেশটির শাসনব্যবস্থা ভেঙে পড়বে। কিন্তু বাস্তবে তা ঘটেনি। বরং গত কয়েক সপ্তাহের লড়াই এটিও প্রমাণ করেছে যে, ইরান শেষ পর্যন্ত এই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে এবং দেশ রক্ষা করতে সক্ষম।
Advertisement
প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

বর্তমানে তেহরানের রাস্তায় যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে কেন্দ্র করে এক ধরনের উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে, যেখানে সরকারের পক্ষ থেকে এই যুদ্ধবিরতিকে জাতীয় ঐক্যের প্রতিফলন হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে।

তেহরানের এনকেলাব স্কোয়ারে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তির ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে ইরানিরা মার্কিন ও ইসরায়েলি পতাকা পুড়িয়েছে।


