https://www.facebook.com/share/p/14ZVxnnhBbs/
ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,রাজধানীর বসুন্ধরা প্রতিনিধি ,সোমবার ০৬ এপ্রিল ২০২৬ || চৈত্র ২৩ ১৪৩২ || ১৭ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি :
রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে ফেমডম সেশনের নামে নির্যাতন ও পর্নোগ্রাফি প্রচারের অভিযোগে দুই নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১ মে) রাতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বিষয়টি জানিয়েছেন।
Advertisement
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————
গ্রেফতাররা হলেন- শিখা আক্তার (২৫) এবং সুইটি আক্তার জারা (২৫)। বৃহস্পতিবার ভোর রাত ৩ টার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার জি-ব্লকের একটি বাসায় অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত হতে বিকৃত যৌন কাজে ব্যবহৃত একটি চাবুক, পরিধেয় বিশেষ পোষাক, হাই হিল, বুট জুতা ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
তালেবুর রহমান জানান, মো. আব্দুল্লাহ ২৯ এপ্রিল ফেসবুকে একটি অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করে এবং সেখানে পুরুষদের উলঙ্গ করে শারীরিক নির্যাতন ও বিকৃত যৌনাচারের ভিডিও প্রচার হতে দেখে। এই কার্যকলাপে জড়িত ব্যক্তিরা টেলিগ্রাম ও অন্যান্য সামাজিক মাধ্যমে এসব ভিডিও ছড়িয়ে দেয়। জড়িত নারীরা নিজেদের ‘মিসট্রেস’ হিসেবে পরিচয় দেন এবং পুরুষরা টাকার বিনিময়ে তাদের কাছে নির্যাতিত হতে আগ্রহী হন, যা ‘ফেমডম সেশন’ নামে পরিচিত।
তিনি জানান, বাদী আব্দুল্লাহ শিখা আক্তার নামে একজনের সঙ্গে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারে যোগাযোগ করেন এবং তাদের দেওয়া বিকাশ নম্বরে ৫০০ টাকা প্রদান করেন। পরবর্তীতে তাকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসায় যেতে বলা হয়। আব্দুল্লাহ ৩০ এপ্রিল সেখানে যান। গিয়ে দেখতে পায় শিখা আক্তার ও সুইটি আক্তারসহ অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজন একজন পুরুষকে উলঙ্গ করে শারীরিক নির্যাতন করছেন এবং মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করছেন। এ ঘটনায় বাদী আব্দুল্লাহর অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভাটারা থানায় একটি মামলা করা হয়।
Advertisement
প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

গ্রেফতারদের আদালতে পাঠানো হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের আইনের আওতায় নিয়ে আসতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি



