
ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি,শনিবার ০৪ এপ্রিল ২০২৬ || চৈত্র ২১ ১৪৩২ || ১৫ শাওয়াল ১৪৪৭ হিজরি :
টিকটকে পরিচয়ের পর প্রেমের সম্পর্কের জেরে চাঁদপুর থেকে নারায়ণগঞ্জে ডেকে এনে এক কিশোরীকে (১৪) সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রধান দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১১।
শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন আজিবপুর মাজার রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
Advertisement
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————
গ্রেফতাররা হলেন- বন্দর উপজেলার কদমরসুল এলাকার মো. রিফাত (২১) এবং বাগবাড়ী এলাকার রোমান (২১)।
মামলার এজাহার ও র্যাব সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর সদর এলাকার ওই কিশোরীর সঙ্গে টিকটকের মাধ্যমে রিফাতের পরিচয় হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ২৯ মার্চ রিফাত ওই কিশোরীকে দেখা করার জন্য নারায়ণগঞ্জে আসতে বলে। যাতায়াত খরচ হিসেবে রিফাত বিকাশে ৫০০ টাকা পাঠালে ওই কিশোরী লঞ্চযোগে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় লঞ্চ টার্মিনালে পৌঁছায়।
র্যাব জানায়, দুপুরে কিশোরীটি বন্দরে পৌঁছালে রিফাত তাকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘোরাঘুরি করে। বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে নবীগঞ্জ কদমরসুল এলাকার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে ছিল রিফাতের বন্ধু রোমান। পরে ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই কিশোরীকে তারা পালাক্রমে ধর্ষণ করে এবং একপর্যায়ে সেখানে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
সিদ্ধিরগঞ্জের আদমজীনগরে অবস্থিত র্যাব-১১-এর সদর দফতরের কোম্পানি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মো. নাঈম উল হক রাতে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ‘প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। গোয়েন্দা নজরদারি ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য তাদের বন্দর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’
Advertisement
প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

এর আগে ওই কিশোরী বাড়ি ফিরে স্বজনদের বিষয়টি জানালে তার বাবা বাদী হয়ে বন্দর থানায় একটি গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলাটির পর থেকে আসামিরা পলাতক ছিল। পুলিশ ও র্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করলে শেষ পর্যন্ত তারা ধরা পড়ে।



