ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম,দিনাজপুরের কাহারোল প্রতিনিধি,সোমবার ১৬ মার্চ ২০২৬ || চৈত্র ৩ ১৪৩২ || ২৬ রমজান ১৪৪৭ হিজরি :
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচি শুরু করেছে বিএনপি সরকার। দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরের সাহাপাড়ায় খাল খননের মাধ্যমে একযোগে দেশের ৫৪টি খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
Advertisement
অপরাধমূলক সংবাদ পাঠান
——————————-
আপনি অপরাধমূলক সংবাদ পাঠাতে পারেন লিখা ও ভিডিও এবং চিত্রসহ প্রধান সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন দ্বায়ী থাকবেন। আপনার নাম ও ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার গোপন থাকবে। লিখুন আমার ফেইজ বুকে Md Ismail Hossain অথবা ওয়ার্ল্ড ক্রাইম নিউজ ২৪.কম।মোবাইল: ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫
——————————————
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি।
এর আগে সকাল ৯টা ৩০মিনিটে একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। সৈয়দপুর পৌঁছে সেখান থেকে সড়ক পথে কর্মসূচিস্থলে যান প্রধানমন্ত্রী।
সাহাপাড়ায় নিজে কোদাল হাতে খাল খননে নামেন প্রধানমন্ত্রী। খাল খনন কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয় মানুষদের মাঝে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা যায়। এতে পানির সমস্যার সমাধান হবে বলে মনে করছেন তারা।
কৃষি সেচ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাসহ সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় চলবে এই কর্মসূচি।
Advertisement
প্রতিটি উপজেলায় সংবাদদাতা আবশ্যক। যোগাযোগ ০১৭১৪৪৯৭৮৮৫

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জিয়াউর রহমানের সফল উদ্যোগ থেকে অভিজ্ঞতা নিয়ে টেকসই ও আধুনিকভাবে খাল খনন ও রক্ষণাবেক্ষণ করলে কৃষি বিপ্লব ঘটবে। তবে বাস্তবায়নে পড়তে হবে চ্যালেঞ্জে।
গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি পুনরুজ্জীবনের উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সালে খাল খনন কর্মসূচি চালু করেছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। বর্ষকালের অতিরিক্ত পানি ধরে রেখে, শুষ্ক মৌসুমে কৃষিকাজে সেচ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা লক্ষ্য ছিল। সে সময় সারা দেশে ৩ হাজার ৬৩৬ মাইল খাল খনন করেন তিনি। শুধু তাই নয়, স্থানীয় জনগণকে সরাসরি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে জিয়াউর রহমান চালু করেন কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি।



